জালিয়াতির মাধ্যমে তিনটি বেসরকারি ব্যাংকের চার বুথ থেকে গ্রাহকদের টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় জড়িতরা গ্রেফতার হয়নি। তবে গত কয়েকদিনে সম্ভাব্য বেশ কয়েকটি স্থানে তাদেরকে গ্রেফতার করতে অভিযান চালিয়েছে গোয়েন্দারা।
ঘটনাটি স্পর্শকাতর হওয়ায় সন্দেহভাজন অপরাধীদের গ্রেফতার করতে ঢাকার ইউরোপীয় দূতাবাসগুলোর সহযোগিতা নেয়া হচ্ছে বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, পূর্ব ইউরোপের কয়েকটি দেশের নাগরিক এটিএম জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত। তাদেরকে গ্রেফতার করা যায়নি। তবে তাদেরকে ধরতে ইউরোপীয় দূতাবাসগুলোর সহযোগিতা নেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে এ ঘটনায় পাঁচজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। তবে ভিডিও ফুটেজের তথ্য যাচাই বাছাই করে নিশ্চিত হওয়া গেছে, প্রকৃতপক্ষে তিন বিদেশি এ ঘটনায় জড়িত। এই তিন বিদেশিই মূলত চারটি বুথে এটিএম জালিয়াতির মূল হোতা। তাদেরকে এখনও গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত আছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পূর্ব ইউরোপের অনেক নাগরিক দেশে অবস্থান করছে। তাদের প্রত্যেকের নাম, পরিচয়, বাংলাদেশে অবস্থানের সম্ভাব্য কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গোয়েন্দা তদন্তে ধরা পড়েছে, এর মধ্যে বেশ কয়েকজন নাগরিকের বাংলাদেশে অবস্থান করে অপরাধী চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তবে তাদের কেন গ্রেফতার করা যাচ্ছে না এমন প্রশ্নের জবাবে এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, এটিএম বুথের টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর তারা গা ঢাকা দিয়েছে। তাদেরকে পালাতে সহযোগিতা করছে দেশের অপরাধীরা। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে দেশের অপরাধীরা তাদের সহযোগিতা করছে তথ্য রয়েছে।
গত কয়েকদিনে রাজধানীর গুলশান, বনানী, খিলক্ষেতসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এছাড়া ঢাকার বাইরেও অভিযান চলছে।