বাংলাদেশ-কানাডার মধ্যে বিমান যোগাযোগ স্থাপিত হচ্ছে

 
এয়ার কানাডা ঢাকার সাথে দিল্লী পর্যন্ত ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে। এই ফ্লাইট চালু হলে বিমান যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দিগন্ত প্রসারিত হবে। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ের কার্যালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন ঢাকাস্থ কানাডিয়ান হাই কমিশনার বিনোইট-পিয়েরি লারামির সাথে বৈঠককালে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
 
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে, এয়ার কানাডা ঢাকার সাথে দিল্লী পর্যন্ত ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে। এ ফ্লাইটের যাত্রীরা দিল্লী থেকে সরাসরি কানাডার টেরেন্টো অবতরণ করবেন। টরেন্টো থেকে প্রতিদিন অনেকগুলো ফ্লাইট নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালু না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের যাত্রীরা এই রুটে নিউইয়র্ক পর্যন্ত যেতে পারবেন। এর জন্য কানাডার সাথে প্রয়োজনীয় এয়ার সার্ভিস এগ্রিমেন্ট ইতোপূর্বে সম্পাদিত হয়েছে।
 
বৈঠকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’র লন্ডন পর্যন্ত ফ্লাইট আছে। এয়ার কানাডার সাথে কোডিং শেয়ারের মাধ্যমে একে ফ্রাংকফুট, প্যারিস ও রোম পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের কাছ থেকে ফিফথ ফ্রিডম অব এয়ার সুবিধা পাওয়ার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
 

বৈঠকে ২০১৬ পর্যটন বর্ষ সফল করতে বিদেশী পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে কানাডা বাংলাদেশে একটি থিম পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করলে মন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রস্তাব উত্থাপনের অনুরোধ করেন। বৈঠকে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান হাইকমিশনের এশিয়া বিষয়ক ডিরেক্টর থমাস কোনার্ড ডি ওলফ, কানাডিয়ান কমার্শিয়াল কর্পোরেশনের প্রজেক্ট ম্যানেজার জোনাথন নেইল, হাইকমিশনের ট্রেড কমিশনার কামাল উদ্দিন, মন্ত্রণালয়ের পক্ষে যুগ্মসচিব আবুল হাসনাত জিয়াউল হক, মন্ত্রীর একান্ত সচিব এটিএম নাসির মিয়া ও এপিএস আলী আহমেদ এনামুল হক।