আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাপক অনিয়ম ও নেতিবাচক অনুষঙ্গ দৃশ্যমান হচ্ছে, যাতে নির্বাচনের সুষ্ঠুতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। বুধবার সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বানে শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান সুজন-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার।
সংবাদ সম্মেলনে বদিউল আলম মজুমদার জানান, দলীয় প্রতীক ব্যবহার করার কারণে এবার আগের চেয়ে প্রার্থী কমে গেছে আর স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতার সুযোগ একেবারে কমে গেছে। প্রতি ইউনিয়নে গড়ে প্রার্থী ৫। আর গতবার চূড়ান্ত প্রার্থী ছিলো ৬ এর মতো।
লিখিত বক্তব্যে সুজনের সমন্বয়কারী ড. দিলীপ সরকার বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে অনেক আগেই শঙ্কা ও সন্দেহের কথা বলা হলেও এখন সরকারের শরিক দলগুলো থেকেও এমন অভিযোগ উঠেছে। সংবাদ সম্মেলনে উদ্বেগ এবং উত্কণ্ঠা প্রকাশ করে সুজন আরও সম্পাদক বলেন, স্থানীয় প্রতিনিধিরা স্থানীয় সমস্যা সমাধান করবে এমন উদ্দেশ্য রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের, কিন্তু এটি প্রশ্নবিদ্ধ হলে পরিণতি শুভ হবে না। গণতান্ত্রিক অবস্থাও ভেঙ্গে পড়বে, যা কারও জন্য কল্যাণকর নয়।
সংবাদ সম্মেলন থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়ন বাণিজ্য, মনোনয়নপত্র দাখিলে বাধাদান ও ছিনিয়ে নেয়া, অর্থের বিনিময়ে প্রার্থিতা বাতিল বা প্রার্থিতা বৈধকরণ, প্রার্থতা প্রত্যাহারের জন্য প্রার্থীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধর করা, দৃশ্যমান অনিয়ম- এমনকি অভিযোগ দায়েরের পরেও নির্বাচন কমিশন থেকে ব্যবস্থা না নেয়ার কথা জানায় সুজন। সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন সুজন সভাপতি এম হাফিজ উদ্দিন খান।