'শিশু নির্যাতনকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক তাকে শাস্তি পেতেই হবে। শিশু নির্যাতন বিষয়ে সরকারের অবস্থান জিরো টলারেন্স। চাঞ্চল্যকর শিশু হত্যা মামলাগুলো মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিক মনিটর করছে।' মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বুধবার রাজধানীর ব্রাক ইন সেন্টারে এই কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী রাজধানীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে পপুলেশন কাউন্সিল আয়োজিত বাল্য বিবাহ বন্ধে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ফর স্কিলস, ইনকাম এন্ড নলেজ ফর এডোলেসেন্ট গার্ল-বালিকা প্রজেক্টের সফলতার ওপর সম্পাদিত এক সমীক্ষার ওপর আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় আরও বক্তৃতা করেন পপুলেশন কাউন্সিলের কান্ট্রি ডাইরেক্টর ড. উবায়দুর রব, নেদারল্যান্ড এম্বাসীর ডেপুটি হেড অব মিশন মিজ মার্টিন ভন হগস্ট্রাটেন ও পপুলেশন সার্ভিস এন্ড ট্রেনিং সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ড. নূর মোহাম্মদ। সমীক্ষা উপস্থাপন করেন পপুলেশন কাউন্সিলের প্রিন্সিপাল ইনভেসটিগেটর ড. সাজেদা আমিন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, 'জাতি আজ নারী ও শিশুদের বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। কিন্তু আমরা সাধারণত শিশু বলতে শূন্য থেকে ৭-৮ বছরের বাচ্চাদের বুঝি এবং তাদের দিকে বেশি খেয়াল রাখি। কিন্তু ৭ বছর থেকে ১৫ বছরের শিশুরা জীবনের একটি নুতন অভিজ্ঞতা উপলব্ধি করতে শুরু করে এবং এই অভিজ্ঞতা তাদের কাছে খুবই নতুন। এই সময় শিশুরা খুব ভুল করে। এই সময়টা শিশুর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সাধারণত এই সময়টাকে গুরুত্ব দেই না। এই সময়টাকে ইংরেজিতে এডোলেসেন্ট পিরিয়ড বলে, বাংলায় বলে বয়সন্ধিকাল।'