সাক্ষ্য হাতে লেখার দেড় শতাধিক বছরের প্রথা বিলোপ করে আদালতের ডিজিটাল যুগের সূচনা শুরু হল সিলেটের আদালত পাড়া থেকে। সিলেটের মহানগর দায়রা জজ, জেলা দায়রা জজ, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ২০টি আদালতে বুধবার থেকে নতুন পদ্ধতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করেন বিচারকরা।
এই পদ্ধতি উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমদ পলক।
সিলেট জেলা ও দায়রা জজ মনির আহমদ পাটোয়ারী বলেন, 'প্রাচীন বিচার ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজিয়ে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। বিচার প্রক্রিয়ায় সময়, শ্রম ও অর্থের খরচের পরিমাণ কমিয়ে বিচারপ্রার্থীদের কষ্ট লাঘব করতেই এই পদ্ধতি চালু হয়েছে।' এই পদ্ধতিতে যেকোনো মামলা নিষ্পত্তিতে বা মামলা পরিচালনায় স্বচ্ছতার কারণে বিচারপ্রার্থীরা উপকৃত হবেন বলে আশা করছেন তিনি।
নতুন ব্যবস্থা সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সিলেটের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর শামসুল ইসলাম জানান, নতুন এ পদ্ধতিতে বিচারক, রাষ্ট্র, আসামি এবং বাদী-বিবাদী পক্ষের আইনজীবীদের সামনে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার থাকবে।
আদালতের কম্পিউটার কম্পোজকারী সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার সঙ্গে সঙ্গেই সব পক্ষ তাদের সামনে থাকা মনিটরে তা দেখতে পাবেন। নির্ভুলভাবে লিপিবদ্ধ হচ্ছে কিনা তাও তারা পরীক্ষা করতে পারবেন। বিডি নিউজ।