সারাবিশ্বেই এখন আতঙ্কের নাম ভাইরাস। মশাবাহিত এই রোগ মোকাবেলায় কাজ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক সংগঠন। এবার জিকা মোকাবেলায় ইউনেসেফের পাশে থাকার ঘোষণা দিল গুগল।
গুগলের একদল প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, ও ডিজাইনাররা ইউনিসেফের সঙ্গে কাজ করবেন। েএছাড়া কারিগরী সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছে গুগল।
গুগল ডট ওআরজি এর পরিচালক জ্যাকুলিন ফুলার বলেন, ‘আমরা আসলে জিকা সনাক্ত করতেই বেশি কাজ করবো। বিভিন্ন এলাকায় ইউনিসেফকে এ বিষয়ে আমরা সহযোগিতা করবো।’
প্রযুক্তির মাধ্যমে জিকা ভাইরাস সনাক্ত ছাড়াও ভবিষ্যতে জরুরি অবস্থাতেও এই যন্ত্রগুলো কাজে লাগবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এছাড়া ভ্যাকসিন আবিস্কার ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা করেছে গুগল। কর্মীদের কাছ থেকেও সহায়তা নিচ্ছে তারা।
গত বছর মে মাস থেকে ব্রাজিলে জিকা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। তার পর থেকে দেশটিতে অপরিণত বা ছোট মস্তিষ্কের শিশু জন্ম নেওয়ার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় শিশুদের এ অবস্থাকে বলা হয়‘মাইক্রোসেফালি’। এতে আক্রান্ত শিশুদের মস্তিষ্কের গঠন সম্পূর্ণরূপে হয় না। ফলে ওই শিশুরা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হতে পারে,শারীরিক বৃদ্ধি বিলম্বিত হতে পারে, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মাঝারি মাত্রার জ্বর, চোখে প্রদাহ ও মাথাব্যাথা হয়। গর্ভবতী নারী জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তার গর্ভের সন্তানের মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এএফপি