কুমিল্লার চান্দিনায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিল্প পণ্য মেলায় মোটররেসিং সার্কাস দুর্ঘটনায় শিশু হৃদয় চক্রবর্তী নিহতের ঘটনায় তার পরিবার থানায় মামলা দায়ের করেছে। এই ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার দুপুরে চারজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন হৃদয়ের বাবা রতন চক্রবর্তী।
আটককৃতরা হলেন— বগুরা জেলার শেরপুর উপজেলার চকসিংগরা গ্রামের মৃত মজিদ উল্লাহ প্রমাণিক এর ছেলে এন্তাজ আলী (৬০) ও চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার কুরুইশ গ্রামের মৃত জাকির হোসেন এর ছেলে নাঈম হোসেন (১৮)।
চান্দিনা থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) সাজেদুল ইসলাম পলাশ জানান, নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সার্কাস দলের দুই সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তবে মূল হোতাকে এখনও পাওয়া যায়নি। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার রাত আটটায় কুমিল্লার চান্দিনা পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের ব্যবসা পেশায় উদ্বুদ্ধকরণে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংস্থা আয়োজিত মাসব্যাপী শিল্প বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন হয়। এর ঘণ্টাখানেক পর মটররেসিং সার্কাস চলার সময় মোটরসাইকেল ছিটকে খেলোয়ার আরিফুল ইসলাম ও শিশু হৃদয়সহ আহত হয় অন্তত ১৩জন। রাত পৌনে ১১টায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর হৃদয় মারা যায়।