আগামী ২২ মার্চ সাতক্ষীরা জেলার সাতটি উপজেলার ৭৮টি ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইউপি নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে ঘিরে জমে উঠেছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা। শুরু হয়েছে নির্বাচনী পথসভা ও মতবিনিময়। ইউনিয়নগুলোর বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ও দেয়ালে দেয়ালে সাটানো হয়েছে প্রার্থীদের প্রতীক সম্বলিত পোস্টার। নির্মাণ করা হয়েছে তোরণ। রয়েছে ব্যানারও। আর নির্বাচনী ‘প্রতিশ্রুতি’ তো রয়েছেই। জেলার ৭৮টি ইউনিয়নে কে হবেন সেই সৌভাগ্যবান জনপ্রতিনিধি সেটাই এখন আলোচিত হচ্ছে বিভিন্ন চায়ের স্টলে।
এদিকে, দুপুর পেরুতেই নির্বাচনী মাইকিংয়ে মাতোয়ারা হয়ে উঠছে গ্রামের আকাশ-বাতাস। একই সঙ্গে ব্যস্ত সময় পার করছেন ছাপাখানার শ্রমিকরা। দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা অক্লান্ত পরিশ্রম করে তারা ছাপাচ্ছেন নির্বাচনী পোস্টার ।
জেলা নির্বাচন অফিসার আহমেদ আলী জানান, জেলার ৭৮টি ইউনিয়নে আগামী ২২ মার্চ একযোগে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ৩৭ জন রিটার্নিং অফিসার নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতীক বরাদ্দের পর স্ব স্ব প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।
উল্লেখ্য, জেলায় ৭৮ টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৪৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে সদর উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৫৪ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। আশাশুনিতে ১১টি ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৫৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৪৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। দেবহাটায় পাঁচটি ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১৪ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। শ্যামনগরে ১২টি ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৫৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। তালায় ১২টি ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৬৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং কলারোয়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ৫৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।