নিরবতায় নিরাপদ থাকার একমাত্র লক্ষণ!

 
আগামীকাল ৬ মার্চ এশিয়া কাপ ফাইনালের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ভারত। নানান ক্রীড়া সমীকরণে বাংলাদেশকেই ফেবারিট ভাবছেন অধিকাংশ বোদ্ধারা।
আর স্বাভাবিক ভাবেই বাংলাদেশের সকল তারকা ও অনুরাগীরা নিজের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকেই ফেবারিট ভাবছেন।
 
এদিকে অনেক তারকাই বাংলাদেশের একাধিক ক্রিকেট তারকাদের সাথে নিজেদের পুরনো ছবি শেয়ার করলেও জয়া আহসান, নুসরাত ফারিয়া, প্রসেনজিত্, পরমব্রত, ওম থেকে শুরু করে যৌথ প্রযোজনার ছবিতে নিয়মিত কাজ করা তারকা- নির্মাতা প্রযোজকদের ভূমিকা খানিকটা অন্যরকম। এখানে তারা আটকে আছে যেন প্রফেশনালিজমের উভয়সংকট অংকে!
 
সাধারণত দুই দেশের যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্রের সাথে সম্পৃক্ত এখন অনেকেই। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের মন্দা কাটানোর লক্ষ্যে যেমন চমক হিসেবে ওপার বাংলার তারকাদের জোড়া লাগাচ্ছেন আমাদের গুটিকয় প্রযোজক। অন্যদিকে টলিউড ইন্ডাষ্ট্রিতেও তাদের ব্যবসায়িক মহামন্দা কাটাতে ছবির বাজার বড় করার লক্ষ্যেই বাংলাদেশকে তাদের অন্যতম টার্গেট করছেন তারা।
আর এসব যোগ-বিয়োগের অংকেই তাই এশিয়া কাপ ফাইনালে নিজ নিজ দেশের প্রতিপক্ষকে নিয়ে খুব সাবধানে ও সমীহ করেই কথা বলছেন তারা।
 
IMG0
কারণ সকলেরই নিশ্চয়ই মনে আছে এর আগে বিশ্বকাপের সময় প্রসেনজিতের একটি বিতর্কিত ফেসবুক পোস্ট নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছিল। প্রসেনজিতের সেই পোস্ট নিয়ে বাংলাদেশের সকলে নিন্দা তো করেছিলেনই এমনকি কলকাতার অনেকেই বিষয়টির সমালোচনা করেছিলেন।  পাশাপাশি বছরের অধিকাংশ সময়ের কলকাতা নিবাসী জয়া আহসান ভারতীয় মিডিয়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেটের বিপক্ষ মত দিয়ে নিন্দিত ও সমালোচিত হয়েছিলেন।
তাই এখন তারা সকলেই ‘নিরবতায় নিরাপদ থাকার একমাত্র লক্ষণ’ সূত্রেই কাজ করছেন!
 
হিসেবটা খুব সোজা! যৌথ ছবির তারকাদের নিজ নিজ ছবির প্রচারণায় দুই দেশের মিডিয়াকেই সমানভাবেই প্রয়োজন হয়। আর বিশ্ব ক্রিকেটে হট ফেবারিট বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে এখন কোনো ধরনের বিরুপ মন্তব্য যেমন এদেশের খেলাপাগল দর্শকেরা কোনোভাবেই গ্রহন করবে না, তেমনি আমাদের যৌথ প্রযোজনার ছবির তারকারাও ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ে কোনো কটাক্ষ মন্তব্য করে ভারতীয় মিডিয়ার রোষানলে পড়তে চাইবেন না!
 
তবে জাতিস্বত্তা হিসেবে প্রত্যেক তারকারাই নিজের দেশের জন্য প্রার্থণা করবেন ঠিকই। কিন্তু মিডিয়ায় অপরপক্ষকে নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবার কোনো ঝুঁকিতে যাচ্ছেন না প্রফেশনের খাতিরে। এ সকল তারকাদের ফেসবুক বা মিডিয়া মন্তব্য পর্যালোচনা করলেই তাদের মৃদুভাষণের আরো স্পষ্ট প্রমান পাওয়া যায়!