ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শনিবার দুইপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ ৬জনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সদর উপজেলার নাটাই ইউনিয়নে বিল কেন্দুয়া গ্রামে পূর্ব-শত্রুতার জের ধরে শুক্রবার রাতে মাস্টারের বাড়ির সাবেক ইউপি সদস্য হুমায়ুনকে মারধর করে বাসির উদ্দিনের বাড়ির লোকজন। এ নিয়ে শনিবার সকালে বাসির উদ্দিনের বাড়ির লোকজন মাষ্টার বাড়িতে হামলা চালায়।
এই ঘটনার জের ধরে আজ সকাল ১০টায় উভয় বাড়ির লোকজন দেশীয় অস্ত্র বল্লম, রামদা, চাইনিজ কুড়ালসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সশস্ত্র সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় ২ ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। এ সময় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১৫টি বাড়িতে ভাংচুর করা হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহতদের মধ্যে নিপু মিয়া (৪৫), শামীম মিয়া (৪০), নাজমূল (৩৫)-এর অবস্থা সংকটাপন্ন। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আটকরা হচ্ছে- আল আমিন (২২), তৈয়ব খাঁ (৫০), ইকবাল খাঁ (৩০), তরিকুল (২৫), আরজু (২৫) ও দুলাল মিয়া (৪৫)।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।