নতুন ভবন নির্মিত হলেও শুরু হয়নি ৫০ শয্যার কার্যক্রম

দ্বোধনের পর এক বছর অতিবাহিত হলেও জনবল, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মেশিনপত্র না থাকায় ৫০ শয্যার কার্যক্রম আজও চালু হয়নি। ফলে কাজে আসছে না প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত অবকাঠামো
 
বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ শয্যার কার্যক্রম এক বছরেও চালু হয়নি। ফলে কাজে আসছে না প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত অবকাঠামো। এছাড়াও আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি ও জনবল সংকট রয়েছে। ফলে চিকিত্সাসেবা দারুণভাবে বিঘ্ন ঘটছে।
 
জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলার সাথে প্রতিবেশী দেওয়ানগঞ্জ, রাজিবপুর, ইসলামপুর ও শ্রীবরদী উপজেলার অন্তত ১০টি ইউনিয়নের প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ এ হাসপাতালে চিকিত্সাসেবা নিয়ে থাকে। উন্নত চিকিত্সাসেবা নিশ্চিত করতে ২০১৩ সালে ৩১ শয্যার এ হাসপাতাল ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। ২০১৪ সালে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন অবকাঠামোর নির্মাণ কাজ শেষ হয় এবং ২০১৫ সালের প্রথম দিকে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্ধিত অবকাঠামো উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পর এক বছর অতিবাহিত হলেও জনবল, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মেশিনপত্র না থাকায় ৫০ শয্যার কার্যক্রম আজও চালু হয়নি। ফলে কাজে আসছে না প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত অবকাঠামো। এছাড়া এ হাসপাতালে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার, অ্যানেসথিসিয়া কনসালট্যান্ট, জুনিয়র কনসালট্যান্ট সার্জারি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট মেডিসিন ও একজন মেডিক্যাল অফিসারের পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারীর ছয়টি, নার্সের পদ শূন্য রয়েছে ৩টি, অফিস সহকারীর পদ ২টি ও পরিচ্ছন্ন কর্মীর ২টি পদ  শূন্য।
 
হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মাহমুদা সিদ্দিকা শিউলী জানান, এ হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি। ওয়ার্ড সংখ্যা ও রোগীর তুলনায় জনবল কম থাকায় অনেক সময় হিমশিম খেতে হয়।
 
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হিবরুল বারী জানান, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও লোকবল না থাকায় ৫০ শয্যার স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু করা যাচ্ছে না। জনবল বাড়ানোর জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই চালু করা হবে।