ওয়ার্ল্ড টি টোয়েন্টির ভেন্যু পরিচিতি

ব্যাঙ্গালুরু, এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম
 
যাত্রা শুরু: ১৯৬৯ সাল
 
১৯৭৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২১টি টেস্ট ম্যাচ হয়েছে।
 
১৯৮২ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২৪টি ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 
২০১২ সালে একটি মাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হয়েছে।
 
স্টেডিয়ামের ধারণ ক্ষমতা ৪০ হাজার।
 
 
স্মরণীয় মুহুর্ত: ১৯৮৭ সালে এখানেই পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯৬ রানের ইনিংস খেলেছেন সুনিল গাভাস্কর।
 
IMG0
 
 
 
চেন্নাই, এমএ চিদম্বরাম স্টেডিয়াম
 
যাত্রা শুরু ১৯১৬ সালে
 
১৯৩৪ সাল থেকে এখানে ৩১টি টেস্ট ম্যাচ হয়েছে
 
১৯৮৭ সাল থেকে এখানে ২০টি ওয়ানডে ম্যাচ হয়েছে।
 
২০১২ সালে একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হয়েছে।
 
ধারণ ক্ষমতা ৩৬ হাজার
 
স্মরণীয় মুহুর্ত: ১৯৫২ সালে এখানেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয় পায় ভারত।
 
IMG1
 
দিল্লি, ফিরোজ শাহ কোটলা
 
যাত্রা শুরু ১৮৮৩ সালে
 
১৯৪৮ সাল থেকে এখানে এ পর্যন্ত ৩৩টি টেস্ট ম্যাচ হয়েছে।
 
১৯৮২ সাল থেকে এখানে ২৩টি ওয়ানডে ম্যাচ হয়েছে।
 
এখনে এখনও কোন টি- টোয়েন্টি ম্যাচ হয়নি।
 
ধারণ ক্ষমতা ৪২ জাহার।
 
স্মরণীয় মুহুর্ত: ১৯৯৯ সালে এখানেই এক ইনিংসে ১০ উইকেট শিকার করেছেন অনিল কুম্বলে।
 
IMG2
 
ধর্মশালা, হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম
 
যাত্রা শুরু ২০০৩ সালে
 
এখানে এখনও কোট টেস্ট ম্যাচ হয়নি।
 
২০১৩ সালে দুটি ওয়ানডে ম্যাচ হয়।
 
২০১৫ সালে একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হয়।
 
ধারণ ক্ষমতা ২৩ হাজার
 
স্মরণীয় মুহুর্ত: বিরাট কোহলির ১২৭ রানের ইনিংসের সুবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫৯ রানের জয় পায় ভারত।
 
IMG3
 
কলকাতা, ইডেন গার্ডেন
 
যাত্রা শুরু ১৮৬৪ সালে
 
১৯৩৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত এখানে ৩৯টি টেস্ট ম্যাচ হয়েছে।
 
১৯৮৭ সাল থেকে ২৮টি ওয়ানডে ম্যাচ হয়েছে।
 
২০১১ সালে এখানে একটি মাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হয়েছে।
 
ধারণ ক্ষমতা ৬৬ হাজার
 
স্মরণীয় মুহুর্ত: ২০০১ সালে এখানে ২৮১ রানের ইনিংস খেলেন ভিভিএস লক্ষন।
 
 
 
মোহালি, পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম
 
যাত্রা শুরু ১৯৯৩ সালে
 
১৯৯৪ সাল থেকে এখানে ১২টি টেস্ট ম্যাচ হয়েছে।
 
১৯৯৩ সাল থেকে এখানে ২২টি ওয়ানডে ম্যাচ হয়েছে।
 
২০০৯ সালে এখানে একটি মাত্র টি- টোয়েন্টি ম্যাচ হয়েছে।
 
ধারণ ক্ষমতা ২৬ হাজার
 
স্মরণীয় মুহুর্ত: ২০০৮ সালে এখানেই সচিন টেন্ডুলকার, ব্রায়েন লারাকে টপকিয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ রানের মালিক হন।
 
IMG4
 
মুম্বাই, ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম
 
যাত্রা শুরু ১৯৭৪ সালে
 
১৯৭৫ থেকে ২০১৩ সাল এখানে এ পর্যন্ত ২৪টি টেস্ট ম্যাচ হয়েছে
 
১৯৮৭ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এখানে ২০টি ওয়ানডে ম্যাচ হয়েছে।
 
২০১২ সালে একটি মাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
 
ধারণ ক্ষমতা ৩২ হাজার
 
স্মরণীয় মুহুর্ত: ২০১১ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়।
 
 
 
নাগপুর বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম
 
যাত্রা কাল ২০০৮
 
২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ৫টি টেস্ট ম্যাচ হয়েছে।
 
২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ৭টি ওয়ানডে ম্যাচ হয়েছে।
 
২০০৯ সালে এখানে একটি মাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হয়েছে।
 
ধারণ ক্ষমতা ৪৫ হাজার
 
স্মরণীয় মুহুর্ত: ২০১৩ সালে এখানেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলির জোড়া সেঞ্চুরিতে ৩৫১ রান চেজ করে ছয় উইকেটের জয় পেয়েছে ভারত।