যুদ্ধাপরাধীদের নাগরিকত্ব বাতিল করতে হবে : ছাত্রলীগ সভাপতি

ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেছেন, যুদ্ধাপরাধী মীর কাশেম আলীর ফাঁসির রায় বহাল থাকায় দেশের ১৬ কোটি মানুষ আনন্দিত। এই যুদ্ধাপরাধীদের শুধু ফাঁসি নয় তাদের নাগরিকত্বও বাতিল করতে হবে।

বুধবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। যুদ্ধাপরাধী মীর কাশেম আলীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে জামায়াত ইসলামীর ডাকা হরতাল প্রতাখ্যান করে হরতাল বিরোধী মিছিল ও সমাবেশটি আয়োজন করে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইনের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান ও সাধারন সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স।

সোহাগ আরো বলেন, যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-শিবিরের দোসর জঙ্গীমাতা খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশ থেকে নিষিদ্ধ করতে হবে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করেনা।

এস এম জাকির হোসাইন বলেন, মীর কাশেম আলী ছিলেন জামায়াত ইসলামীর অর্থের যোগানদাতা। তার ফাঁসির রায় বহালা থাকায় গোটা জাতি আজ আনন্দিত। বিত্তশালী এই যুদ্ধাপরাধীসহ সকল যুদ্ধাপরাধীর যাবতীয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদেরকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ করতে হবে। জামায়াত শিবিরের কোন দোসর যেন ক্যাম্পাসে নৈরাজ্য ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
IMG0
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. তোফাজ্জেল হক চয়ন, আরিফুর রহমান লিমন, ইমতিয়াজ বুলবুল বাপ্পী, মেহেদী হাসান রনি, আদিত্য নন্দী, মোহাম্মদ সালাম, নিশীতা ইকবার নদী, নিজামুল ইসলাম দিদার, শেখ ফয়সাল আমিন, বিএম এহতেশাম, ইমরান আহমেদ, ইয়াজ আল রিয়াদ, সাঈফ বাবু, রেজাউদ্দেীলাহ প্রধান, পিয়াল হাসানসহ কেন্দ্রীয়, বিশ্ববিদ্যালয় ও হল পর্যায়ের নেতা-কর্র্মী।

সামবেশের আগে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে একটি হরতাল বিরোধী মিছিল বের হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চারুকলার সামনে গিয়ে শেষ হয়।