মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট পদে সু চির প্রার্থী তিন কিয়াও

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুইজন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে নভেম্বরে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া অং সান সু কির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি। বিবিসি জানিয়েছে, এই দুইজনের মধ্যে তিন কিয়াওয়ের প্রেসিডেন্ট হওয়াটা একরকম নিশ্চিতই।
 
এই মনোনয়নে একটা বিষয় নিশ্চিত হয়েছে যে অং সান সু কি প্রেসিডেন্টের মনোনয়ন নিচ্ছেন না। মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী কারো সন্তান বিদেশি নাগরিক থাকলে সে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারবে না। ধারণা করা হয়, সু চির প্রেসিডেন্ট হওয়া ঠেকানোর জন্যই দেশটির জান্তা সরকার এই বিধান সংযুক্ত করে সংবিধানে। তবে সু চি নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পরে জানিয়ে ছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্টের ‘উপরে’ অবস্থান করবেন।
 
নিয়ম অনুযায়ী পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষ  ও নি¤œ কক্ষ এই দুই জায়গায় প্রার্থী মনোনয়ন দিতে হয়। এনএলডি নি¤œ কক্ষ থেকে মনোনয়ন দিয়েছে তিন কিয়াওকে এবং উচ্চকক্ষ থেকে মনোনয়ন দিয়েছে হেনরি ভানত্রিউ। দুই কক্ষে পৃথকভাবে দুইজন নির্বাচিত হবে যেখানে সামরিক বাহিনী ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরাও থাকবে। দ্বিতীয় দফার ভোটে দুই কক্ষে পৃথক ভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট বেছে নেয়া হবে। হেরে যাওয়া দুই প্রার্থী ভাইস প্রেসিডেন্ট হবে।  
 
দুই কক্ষেই এনএলডির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় অং সান সু কির ঘনিষ্ঠ তিন কিয়াওয়ের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। গত নভেম্বরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে এনএলডি ঐতিহাসিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। তবে নির্বাচন ছাড়াই ২৫ শতাংশ আসন সামরিক বাহিনীর জন্য সংরক্ষিত থাকায় তারাও দেশটির রাজনীতির প্রভাবশালী অংশ হিসেবেই থাকছে। বিবিসি।