বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে অফিসের মিটিংয়ের জন্য প্রেজেন্টেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটিকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করাটা আরও সহজ করেছে প্রযুক্তি।
অফিস প্রেজেন্টেশন মানেই প্রবল চাপ। আর ক্লায়েন্ট প্রেজেন্টেশন হলে তো টেনশন আরও বেশি। হাতে সময় কম আর কাছাকাছি নেই কোনও ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ? চিন্তা নেই, কিছু স্মার্টফোন অ্যাপ সঙ্গে রাখুন। কোনোটিতে ঝটপট সাজিয়ে নিতে পারবেন ডকুমেন্ট, তো কোনোটায় আবার অতি সহজেই শেয়ার করতে পারবেন প্রেজেন্টেশন।
গুগল স্লাইডস
অডিও, ভিডিও, অ্যানিমেশন দিয়ে যেমন ইচ্ছে সাজিয়ে নিন প্রেজেন্টেশন। যে কোনো পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনকেও এই অ্যাপে এডিট করতে পারবেন। শুধু তাই নয়, অনলাইনে ‘কোলাবোরেশন’ মোডে একাধিক জন মিলে একটি প্রেজেন্টেশন এডিট করা যায়। ঠিক যেমনটা হয় গুগল ডক্স এর ক্ষেত্রে। শেয়ার করা থাকলে একটি গুগল ডক ফাইলে একসঙ্গে অনেকে মিলে কাজ করতে পারবেন। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস সংস্করণে চলবে এই অ্যাপ।
লিঙ্কডইন স্লাইডশেয়ার
এই অ্যাপ অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মের জন্য পাওয়া যাবে। মোবাইলে প্রেজেন্টেশন দেওয়ার জন্য খুব কাজের অ্যাপ। এই অ্যাপ স্মার্টফোনে থাকলে সহজেই আপনার ফেসবুক বা লিঙ্কডইন প্রোফাইলে যারা আছেন তাদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারবেন। এমনকি, অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ব্যবহারকারীরা টেক্স মেসেজের মাধ্যমেও প্রেজেন্টেশন পাঠাতে পারবেন।
পাওয়ার পয়েন্ট
চিরাচরিত প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার পাওয়ার পয়েন্টেরও রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস এবং উইন্ডোজ মোবাইল অ্যাপ। বাসে-ট্যাক্সিতে বসতে পেলেই প্রেজেন্টেশন বানানোর কাজ শুরু করে দিতে পারবেন।
মাইক্রোসফট সোয়ে
উইন্ডোজ ফোনের জন্য সবচেয়ে ভাল এই অ্যাপ। দারুণ ইউজার ইন্টারফেস। মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করা বেশ সহজ। খুব ঝকঝকে প্রেজেন্টেশন লে-আউট এই অ্যাপের।
পোলারিস অফিস
অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস এবং উইন্ডোজ এই তিন প্ল্যাটফর্মেই চলবে এই অ্যাপ। যে কোনো মাইক্রোসফট অফিস ডকুমেন্ট এবং পিডিএফ এই অ্যাপ মারফত পড়া যাবে এবং এডিটও করা যাবে। অর্থাৎ অফিসে বসে প্রেজেন্টেশনের কাজ শেষ করতে না পারলে যদি নিজের মেলে অ্যাটাচ করে রেখে দেন, তবে বাকি কাজটা সেরে নিতে পারবেন সহজেই পোলারিসের সাহায্যে।