হংকংয়ের বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ওয়াং কার ওয়াই’র ইনফরমাল ট্রিলজি নিয়ে ‘হাউ টু রিড ট্রিলজি’ শীর্ষক ফিল্ম রিডিং প্রোগ্রামের আয়োজন করে ইউল্যাব চলচ্চিত্র শিক্ষানবিশি কার্যক্রম সিনেমাস্কোপ। শনিবার শেষ হয় তিনদিনব্যাপী এই আয়োজন।
প্রথমদিনে ট্রিলজির প্রথম চলচ্চিত্র ‘ডেইস অব বিং ওয়াইল্ড’ প্রদর্শন করা হয়। প্রদর্শনী শেষে সিনেমাটি নিয়ে বক্তব্য রাখেন সিনেমাস্কোপের শিক্ষানবিস শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন। এছাড়া ট্রিলজি সম্পর্কে শিল্পী-আন্দোলনকর্মী ইমতিয়াজ পাভেল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে গঠনমূলক আলোচনা করেন।
ইভেন্টের দ্বিতীয় দিনে ট্রিলজির সব থেকে প্রশংসিত চলচ্চিত্র ‘ইন দ্য মুড ফর লাভ’ দেখানো হয়। উল্লিখিত সিনেমা নিয়ে চুল-চেরা বিশ্লেষণ করা হয়। সিনেমাস্কোপ গবেষণ ও প্রকাশন সচিব আরিফ আরমান বাদলের তত্ত্বাবধানে আলোচনায় অংশ নেন শিক্ষানবিস শিক্ষার্থীরা।
ইভেন্টের তৃতীয় দিনে ট্রিলজির সর্বশেষ চলচ্চিত্র ‘২০৪৬’ প্রদর্শন করা হয়। প্রদর্শনী শেষে সিনেমা সম্পর্কিত আলোচনা রাখেন সিনেমাস্কোপের অনুষ্ঠান তত্ত্বাবধায়ক ফারহান তানভীর রাফিত।
আয়োজনের শেষ দিনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রসূন রহমান। ট্রিলজি সম্বন্ধে বক্তব্য রাখেন তিনি। সুতপার ঠিকানাখ্যাত চলচ্চিত্রকার তার আসন্ন ড্রিমড ট্রিলজির প্রথম সিনেমা ‘ঢাকা ড্রিম’ সম্পর্কে কথা বলেন।
IMG0
আসন্ন ট্রিলজি নিয়ে প্রসূন রহমান বলেন, ‘ঢাকা বাংলাদেশের একমাত্র প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে পরিগণিত হওয়ায় শহরটি ক্রমশ জনবহুল হয়ে উঠছে। ফলে ঢাকা রীতিমতো বসবাসের অযোগ্য শহর হিসেবে বিশ্ব তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। আমার এই ট্রিলজি’র মাধ্যমে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করব আমি।’
প্রসূন জানান, ট্রিলজির প্রথম চলচ্চিত্র ‘ঢাকা ড্রিমের’ ৪০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে এ বছরের মাঝামাঝিতে মুক্তি পেতে পারে চলচ্চিত্রটি।
অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন ইউল্যাব মিডিয়া স্টাডিজ এ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের শিক্ষার্থী ও সিনোমস্কোপ স্ক্রিনিং বিভাগ প্রধান সায়েম রহমান সাকিব।
তিনি বলেন, ‘হাউ টু রিড ট্রিলজি’ অনুষ্ঠানটির সাথে জড়িত সিনেমাস্কোপের সকল সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাই। আশা করি, প্রোগ্রামটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ট্রিলজি সম্বন্ধে সম্যক ধারণা পেয়েছে।’