সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে সুন্দরবন এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বর্ডার সিকিউরিটি ফোসের (বিএসএফ) মধ্যে যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিন দিনের এই মহড়ার রবিবার ছিল দ্বিতীয় দিন। ‘সুন্দরবন মৈত্রী’ নামে দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এই যৌথ মহড়ার দ্বিতীয় দিন রবিবার দুপুরে সুন্দরবনের টি-জংশন এলাকায় (হাড়িয়াভাঙা ও রায়মঙ্গল নদীর সংযোগস্থল) পণ্যবাহী ভারতীয় কার্গো জাহাজ তল্লাশি করা হয়।
বিএসএফের আমন্ত্রণে ভারতীয় অংশে বিএসএফের ভাসমান বিওপিতে বিজিবি ও বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই যৌথ অনুশীলন পরিদর্শন করেন। এরপর উভয় পক্ষ সৌজন্য বৈঠকে মিলিত হন। উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন এই যৌথ অনুশীলন কার্যক্রম সুন্দরবন এলাকায় সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিশেষভাবে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সীমান্ত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কর্মতত্পরতা আরো কার্যকরভাবে প্রসারিত হবে।
রবিবার মহড়া পরিদর্শন করেন বিজিবি’র দক্ষিণ পশ্চিম রিজিয়নের কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল খোন্দকার ফরিদ হাসান, খুলনা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। এছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে ভারতীয় পার্শ্বে বিএসএফ সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের আইজি শ্রী সন্দীপ সালুনকি, ডিআইজি শ্রী কে এল শাহসহ কলকাতা সেক্টর কমান্ডার, সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের নোডাল অফিসার ও অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই যৌথ অনুশীলনের উদ্দেশ্যে হল সুন্দরবন এলাকার জল সীমানায় সাধারণ সমস্যা এবং ঝুঁকিসমূহ পর্যবেক্ষণ, বিজিবি-বিএসএফ কর্তৃক সুন্দরবন এলাকায় নিজ নিজ সীমানার মধ্যে থেকে যৌথ টহল পরিচালনা, যৌথ টহল পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত নৌ-প্রটোকল রুটে চলাচলকারী কার্গো এবং মাছ ধরার ট্রলারে তল্লাশি কার্যক্রম অনুশীলন এবং উভয় দেশের ফরেস্ট ক্যাম্প ও কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত হওয়া।