'নদী খনন করলে আমরাই লাভবান হবো'

'নৌ পথে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন খরচ অন্যান্য খাতের চেয়ে কম ও পরিবেশ বান্ধব। সে জন্য নৌ পথের নাব্যতা বজায়ের লক্ষ্যে যদি নদী খননের কার্যক্রম গ্রহণ করি তাহলে আমরাই লাভবান হবো।' নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
 
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে নেদারল্যান্ড ভিত্তিক কোম্পানী 'আইএইচসি' আয়োজিত 'তৃতীয় রয়েল আইএইচ ডেজি'  সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন নেদারল্যান্ডের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিসেস লিওনি কিউলিনেয়ার।
 
আওয়ামী লীগ সরকারের বর্তমান মেয়াদে ২ হাজার ৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০টি ড্রেজার সংগ্রহের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বলে তিনি অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন।
 
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ একটি নদী মাতৃক দেশ। ছোট বড় ৭শটি নদী, জল প্রবাহ ও খাল মিলে প্রায় ২৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ছিল। বিগত সরকারগুলোর অযত্নে ও অবহেলার ফলে ঐ নৌ পথ বর্ষাকালে ৬ হাজার কিলোমিটারে এবং শুষ্ক মৌসূমে ৩ হাজার ৯শত কিলোমিটারে এসে দাঁড়ায়'।
 
নদীর পানি কমে যাওয়ায় একদিকে মাছের উৎপাদন ও সেচ কার্যক্রম ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। অপরদিকে বন্যার পানি প্রবাহে বাঁধা সৃষ্টির ফলে দেশের সার্বিক অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নৌ পথের নাব্যতা উন্নয়নের লক্ষে ড্রেজিং করা অপরিহার্য বলেও মনে করেন মন্ত্রী।