দুলালের সাজা ভোগ করলেন আরেক দুলাল

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় নাম বিভ্রাট এবং থানা পুলিশের ভুলের কারণে একজনের সাজা ভোগে করেছে নিরহ আরেক ব্যক্তি। ভুক্তভোগী দুলাল হোসেন উপজেলা সদরের একজন লেদ ব্যবসায়ী। তিনি উপজেলার মিলিক বাঘা গ্রামের বাসিন্দা।
 
শনিবার দুপুরে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিযোগ করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার জেল হাজত থেকে তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন।
 
দুলালের অভিযোগ, গত ১২ মার্চ বিকালে থানা পুলিশ ব্যবসায়ী দুলাল হোসেনের নামে ওয়ারেন্ট আছে জানিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে। এরপর থানায় এনে কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়ে তৎক্ষণাৎ তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনার একদিন পর তার সন্তান তাকে জামিনে ছাড়িয়ে আনেন। এবং খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন এ মামলায় তার বাবা অভিযুক্ত নয়। ব্যবসায়ী দুলাল হোসেনকে যে মামলায় ওয়ারেন্টের কথা বলে আটক করা হয়েছে সেটি মূলত একটি নারী নির্যাতনের মামলা। ওই মামলার বাদীর নাম লতিফা খাতুন।
 
লতিফা খাতুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার অভিযোগের ভিত্তিতে যে দুলাল হোসেনকে আটক করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে আমি কোনো অভিযোগ করিনি। আমি অভিযোগ করেছি আমার স্বামীর বিরুদ্ধে। তার নামও দুলাল হোসেন। বাড়ি উপজেলার চকনারায়নপুর গ্রামে।’
 
এদিকে বাঘা থানা পুলিশের বিরুদ্ধে তাকে হয়রানি করাসহ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ করেন দুলাল হোসেন। একই সঙ্গে  বিষয়টি  তদন্ত করে পুলিশের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়। 
 
তবে বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা (ওসি) আলী মাহামুদ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। যদি সত্যিই এমনটি হয়ে থাকে সেটা অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি আরো বলেন, ‘দুলাল হোসেন থানায় আসার পর যদি বিষয়টি জানাতেন তাহলে হয়তো এমনটি হতো না।’