চলতি বছরে বাংলাদেশে দৃশ্যমান বিনিয়োগ করবে চীন উল্লেখ করে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের পাশাপাশি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণেও অর্থ সহায়তা দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিংছিয়াং।
সোমবার কূটনৈতিক রিপোর্টারদের সংগঠন-ডিক্যাব আয়োজিত মিট দ্যা প্রেসে তিনি এ কথা বলেন।
চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। দীর্ঘ ৪০ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কের এ গতি ধরে রাখতে হবে উল্লেখ করে বলেন, চলতি বছরে বাংলাদেশে আরও বেশি বিনিয়োগ করবে চীন বলে জানান তিনি। চীন বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য করতে প্রস্তুত এমন মন্তব্য করে সরকার যে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে, সেখানে অন্য দেশের সঙ্গে ভাগাভাগি করেও অর্থায়ন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন মা মিংছিয়াং।
বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, চারদেশীয় অর্থনৈতিক জোন বাস্তবায়নেও বাংলাদেশ সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করবে। বাংলাদেশের সোনাদিয়া বা পায়রা যেখানেই গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা হোক তাতে চীন সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত মা মিংকিয়াং।
তিনি বলেন, আমরা নিশ্চিতভাবেই গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণে সহযোগিতা করব, এই সহযোগিতা সবার জন্য উন্মুক্ত, এক্ষেত্রে যেকোনো দেশের সঙ্গে আমরা কাজ করতে রাজি আছি। সরকার পটুয়াখালীর পায়রায় দেশের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কথা বিবেচনা করছে। ইতিমধ্যে প্রতিবেশী ভারত, চীন ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এই বন্দর নির্মাণের কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার আগ্রহ জানিয়েছে।
ডিক্যাব-টকে চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিং কিয়ান বাংলাদেশে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের বিষয়ে তার দেশের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে এখন পর্যন্ত কোনো গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হয়নি। চীন এ বন্দর নির্মাণে যেমন সর্বাত্মকভাবে কাজ করতে চায়, আবার অন্য বিদেশি সহযোগীর সঙ্গে কাজ করতেও কোনো আপত্তি নেই। ফোকাস বাংলা।