মঠবাড়িয়ার ধানিসাফা ইউনিয়নে মঙ্গলবার রাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে নিহত পাঁচজনসহ আহতদের স্বজনদের বাড়িতে চলছে আহাজারি। স্বজনরা ও স্থানীয় আওয়ামী নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, কী কারণে, কাদের উস্কানিতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটলো। অন্যদিকে ভাণ্ডারিয়ার ভিটাবাড়িয়া ও ইকড়ি ইউনিয়নে সাইকেল মার্কার প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরা পরিবার-পরিজনসহ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের হামলায় পুরুষরা ঘরছাড়া। কারো ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে ঘর। কারো কারো ঘর ও দোকানে তালা দিয়ে দেয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার মঠবাড়িয়ার বুড়িরচর ও ভাণ্ডারিয়ার হরিণপালা গ্রামে নিহতদের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে স্ত্রী-সন্তানদের বুকফাটা কান্নার দৃশ্য। এদিকে দুপুরে বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. গাউস ও পুলিশের ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মানিক হার রহমানকে প্রধান করে জেলা প্রশাসন চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অন্যদিকে জেলা পুলিশ প্রশাসনও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
গতকাল ভাণ্ডারিয়ার হরিণপালা গ্রামে নিহত শাহাদাত, কামরুল এবং মঠবাড়িয়ার বুড়িরচরের সোহেল, বেল্লাল ও সোলেমানের বাড়িতে পিরোজপুর ও মঠবাড়িয়া থেকে একদল সাংবাদিক পৌঁছলে নিহতদের স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তাদের বক্তব্য: নিহতরা সবাই আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থক। তাদের উপর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কেন এভাবে গুলি চালালো। হতাহতদের বিশেষত: হরিণপালা গ্রাম থেকে দলে দলে ডেকে নিয়ে কে তাদের মঠবাড়িয়ার সাফা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে নিয়ে গেল। এসময় কে তাদের হাতে ঢাল-সরকিসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিল। ঘুরেফিরে এইসব প্রশ্নই করছেন হতাহতদের স্বজন ও গ্রামের লোকজন।
মঠবাড়িয়া সংবাদদাতা রফিকুজ্জামান আবীরকে সাথে নিয়ে গতকাল বুধবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, মঙ্গলবারের রাতের ওই ঘটনার পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। নাম পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা বলেন, সাফা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে বিজিবি ও র্যাব গুলি চালায়। পরে রাস্তায় পড়ে থাকা নিহতদের লাশের ওপর দিয়ে বিজিবি ও পুলিশ গাড়ি চালিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
নির্মাণ শ্রমিক সগীর হাওলাদার জানান, তার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছোট ভাই ইয়াসিন (১৫) ঘটনার সময় বাড়ির সামনের সড়কে গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বলেন, ফলাফল ঘোষণার সময় গোলযোগের সৃষ্টি হলে বিজিবি ও পুলিশ গুলি চালায়। এতেই ৫ জন নিহত হয়। আহত হয় আরও অন্তত ২৫ জন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিজিবি ও পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছিল না। তখন ওই ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেট ঢাকা ওয়াসার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল বাসেত আওয়ামী লীগ সমর্থকদের শান্ত করতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে গুলি চালানোর নির্দেশ দেন। এরপরই বিজিবি ও পুলিশ মিলে কলেজ মাঠ থেকে নির্বিচারে গুলি চালাতে চালাতে সড়কের দিকে ছুটে আসলে জনতা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
পুলিশ দাবি করেছে, আওয়ামী লীগের প্রার্থী হারুন উর রশীদের সমর্থকরা ওই কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করায় তাদের ঠেকাতে বিজিবি-পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়।
মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সাফা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শেষে গণনাকালে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হারুন অর রশীদের নৌকা মার্কার স্বাক্ষরবিহীন ৭৪৬টি ব্যালট বাতিল করেন দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং অফিসার দিপাঞ্জল পাল। বিষয়টি জানতে পেরে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি জানতে চান প্রার্থী হারুন অর রশীদ। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির সময় কেন্দ্রে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল বাসেত উপস্থিত হন। তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময়ে বাইরে হারুন অর রশীদের ২-৩ হাজার কর্মী-সমর্থক ওই কেন্দ্রে জড়ো হয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে বাক-বিতন্ডায় লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে এ ঘটনা ঘটে।
ওসি আরও জানান, এ পরিস্থিতিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে কেন্দ্রে নিয়োজিত বিজিবি সদস্যরা ২৯ রাউন্ড এবং পুলিশের পক্ষ থেকে ১০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত এবং গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে আরও দুই জনের মৃত্যু হয়।
রাতেই পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ঘটনাস্থলে গতকাল পরিদর্শনে এসে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. হুমায়ূন কবির সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে কেন রাবার বুলেট ব্যবহার করা হল না তাও তদন্ত করা হবে।
এদিকে মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র রফিউদ্দিন আহমেদ ফেরদৌস ক্ষোভের সাথে বলেন, গুলি করে পাঁচ জন আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থককে হত্যা করার ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। সেখানে কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট, প্রিজাইডিং অফিসার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চরম কাণ্ডজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার না করে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে ব্রাশ ফায়ার করার যৌক্তিকতা খুঁজে পাই না। ধানিসাফা ইউনিয়নের ভোটের ফল স্থগিত করেছে উপজেলা নির্বাচন অফিস।
ভাণ্ডারিয়া সংবাদদাতা ফজলুর রহমানকে সাথে নিয়ে গতকাল ভাণ্ডারিয়ার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে সরেজমিনে দেখা যায়, দোকানি মিজানের দোকান বন্ধ করে তাকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বেলা ১১টার দিকে ওই ইউনিয়নের বিজয়ী মহিলা সদস্য কুরছিয়া বেগমের স্বামী ইউনিয়ন যুব সংহতির সভাপতি রবিউল ইসলাম সরদারকে বেদম মারধর করা হয়। নৌকা মার্কার সমর্থক কামাল মুন্সী, তারেক সরদার ও ইব্রাহিম তালুকদারের নেতৃত্বে এ হামলা করা হয়। বাই সাইকেল প্রতীকের কর্মী হওয়ায় রবিউলকে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়া হয়েছে বলে জানান বাজারের একাধিক ব্যক্তি।
দুপুর ২ টার দিকে রবিউল সরদারের বাড়ি গিয়ে তার ঘর বন্ধ পাওয়া যায়। তার মেয়ে তৃষা ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। সে লুকিয়ে ছিল প্রতিবেশীর বাড়িতে।
সাইকেল মার্কার সমর্থক মনির সরদার সাংবাদিকদের জানান, ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খান এনায়েত করিম তাকে দুই চারদিনের মধ্যে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন দুপুরে বিজিবি ও পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতে ৬ নম্বর কাজিরহুলা ভোট কেন্দ্রে নৌকার সমর্থকরা অন্য প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে ভোট কাটার সময় তিনি বাধা দেন। তখন তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বের করে দেয়া হয়।
সাইকেল মার্কার অপর এক কর্মী আলহাজ্ব সোবাহান কিন্ডারগার্টেনের অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান সাব্বির স্থানীয় ও ভাড়াটিয়া মাস্তান বাহিনীর ভয়ে আত্মগোপন করে আছেন।
এছাড়া নির্বাচনের দিন ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়ন মোটর সাইকেল ইউনিয়ন সমিতির সভাপতি ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে পাড়ার বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমান জানান, তার সমিতির ২২ জন সদস্যকে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে কাপালির হাট বাজারে থাকা তাদের সমিতি ঘরে তালাবদ্ধ। সমিতির লিটন মুন্সি, মহসিন, মিজানসহ রেন্ট-এ কার মোটর সাইকেল চালকরা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন।
ভিটাবাড়িয়া ইউপি নির্বাচনে জেপি’র চেয়রম্যান প্রার্থী মশিউর রহমান মৃধা বলেন, তার পরাজয়ের কারণ হচ্ছে আওয়ামী লীগ প্রার্থী খান এনামুল করিম পান্নার সমর্থকেরা নির্বাচনের আগের রাতে উক্ত ইউনিয়নের জেলেপাড়ার খলিল সরদার, মন্নান সরদারের বাড়িঘর ভাংচুর করে ও ভয়ভীতি দেখায়। যাতে তারা ভোটকেন্দ্রে না যায়। এছাড়া গুচ্ছ গ্রামের তৈয়ব আলী ও ফিরোজের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। ওই ইউনিয়নের শিয়ালকাঠী বাঞ্চারখাল নামক স্থানে জসিম নামের এক ব্যক্তির বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাংচুর করে। উক্ত এলাকায় একটি ক্লাবে হামলা চালিয়ে টিভিসহ অন্য আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয়।
ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়ন জেপি’র সাধারণ সম্পাদক রেজা আহমেদ দুলাল বলেন, নির্বাচনের সময়ে বুকে নির্বাচন কমিশনের দেয়া সাংবাদিক কার্ড ঝুলিয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ভোট কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার ও বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে সাইকেল প্রর্তীকের এজেন্টেদের বের করে দেয়।
গতকাল সকাল ৯টার দিকে ইকড়ি বাসস্ট্যান্ডের কাছে সাইকেল মার্কার সমর্থক নজরুল ইসলামের বাড়িতে নৌকা সমর্থকরা হামলা চালিয়ে মহিলা-পুরুষদের মারধর করে। হামলার নেতৃত্ব দেন শাহদাত, রনি, রাসেল, স্বপন জোমাদ্দারসহ নৌকা মার্কার সমর্থকরা।
জিয়ানগর সংবাদদাতা আহাদুল ইসলাম শিমুল জানান, আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টি (জেপি) মনোনীত প্রার্থী মশিউর রহমান মঞ্জু। পুনরায় ভোট গণনার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। বালিপাড়া ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। ভোট গণনার সময় সাইকেল প্রতিকের ব্যালট পেপার নৌকা প্রতীকের ব্যালটের বান্ডিলের সাথে মিলিয়ে গুণা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কেন্দ্রে স্থানীয় ও বহিরাগত আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারকে মারধর করে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী কবির হোসেন বয়াতীর লোকজন। বর্তমানে গুরুত্বর আহত প্রিজাইডিং অফিসার মোঃ রুহুল আমিন খুলনায় একটি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করার কথা থাকলেও একটি মহলের চাপে রুহুল আমিন মামলা না করে তাদের সাথে আপোষ করেন। প্রকাশ্যে টেবিলে ভোট প্রদানেও বাধ্য করে আওয়ামীলীগের এজেন্টরা।
বালিপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে হামলা সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন। ওই ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত প্রার্থী ইয়াকুব আলী জানান, ভোট গণনা শেষে পরাজিত প্রার্থী হারুন অর রশিদের লোকজন বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার লোকজনের উপর হামলা চালায়। এই হামলায় আমার ২৫ জন লোক আহত হয়েছে। তার মধ্যে ১১ জনকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় পিরোজপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর দিকে চরবলেশ্বরসহ কয়েকটি এলাকায় নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষে আরো অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তবে ইন্দুরকানী থানার ওসি মিজানুল হক জানিয়েছেন, আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। আমাদের টহল জোরদার করা হয়েছে। সংঘর্ষের বিষয়ে আমাদের কাছে কেউ কোন অভিযোগ করেনি।
নাজিরপুর সংবাদদাতা সিদ্দিকুর রহমান তুহিন জানান, গত মঙ্গলবার রাতে নাজিরপুর উপজেলার শাখারীকাঠি ইউনিয়নের দু’টি কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী খালিদ হোসেন সজল ও তার ভাই আবু রাসেল নয়নসহ এক হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।
গতকাল দুপুরে পলাশডাঙ্গা স্কুলের পাশে একটি ধানের ক্ষেত থেকে ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপার ভর্তি একটি বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে বলে নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তবিবুর রহমান জানান। এসব কারণে শাখারীকাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রয়েছে।
এদিকে কাউখালী থেকে প্রাপ্ত সংবাদে জানা যায়, উপজেলা সদর থেকে আওয়ামী লীগের একদল নেতাকর্মী সয়না-রঘুনাথপুর ইউনিয়নের সাইকেল মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাঈদ মিয়া মনুর বাড়িতে চড়াও হলে সৃষ্ট সংঘর্ষে সেখানে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে।