হাতিরঝিলে আন্তর্জাতিকমানের অপেরা হাউস নির্মাণ হবে: পূর্তমন্ত্রী

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, হাতিরঝিলে আন্তর্জাতিকমানের একটি অপেরা হাউস নির্মাণ করা হবে। এ অপেরা হাউসে দেশি-বিদেশি বড় বড় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিকমানের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার মত বর্তমানে দেশে ভালমানের মিলনায়তন বা অপেরা হাউস নেই। এছাড়াও এখানে একটি দ্বীপ তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে ঢাকার চোখ নির্মাণ করা হবে।
 
শুক্রবার হাতিরঝিল ও গুলশান-বনানী লেকের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনকালে এ তথ্য জানান। সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, রাজউক চেয়ারম্যান জি এম জয়নাল আবেদীন এবং মেজর জেনারেল সাইদসহ ঊর্ধতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
 
গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, ভাসমান থিয়েটারের নির্মাণ কাজ অতিদ্রুতই শেষ করা হবে। এখানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচি করা যাবে। কাছেই ১০-তলাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক গাড়ি পার্কিং ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এ ভবনে গাড়ি পাকিং সুবিধা ছাড়াও একটি সম্মেলন কক্ষ, হাতিরঝিলের ইতিহাস সংক্রান্ত যাদুঘর, রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য সুবিধা থাকবে। হাতিরঝিলে ভাসমান রেস্টুরেন্টও করা হবে এবং ব্যাটারি চালিত ওয়াটার স্ক্রুটার চালু করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
 
পরে মন্ত্রী গুলশান-বনানী লেকের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন। তিনি গুলশান লেকের মাটি অপসারণের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেন। পানিতে যাতে ময়লা না ফেলে সেজন্য সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে লেকের পড়ে ডাস্টবিন স্থাপনেরও নির্দেশ দেন। 
 
মন্ত্রী বনানীতে লেকের বিভিন্ন স্থানের মাটি অপসারণের কাজ পরিদর্শন করেন। গুলশান-বনানী লেকের মাটি অপসারণের কাজ শেষ হলে লেকের পানিতে বাসাবাড়ির বর্জ্য সংযোগগুলো বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দেন। যাতে কোনভাবে বর্জ্য দিয়ে লেকের পানি দূষিত না হয়।উল্লেখ্য, ৪১০ কোটি টাকা ব্যয়ে গুলশান-বনানীর লেকের উন্নয়ন করা করা হচ্ছে। ফোকাস বাংলা।