মির্জা ফখরুল সকালে মহাসচিব, দুপুরে হাজতে, বিকালে জামিন

নাশকতা মামলায় দুপুরে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এর তিন ঘণ্টা পর জামিন পেয়েছন বিএনপির নতুন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এদিন সকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব থেকে মহাসচিব নির্বাচিত হন তিনি। 
 
এর আগে বুধবার দুপুরে পল্টন থানার নাশকতার তিন মামলার মধ্যে দুটিতে জামিন নামঞ্জুর করে ফখরুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম নবীর আদালত। অন্য মামলাটিতে জামিন পান তিনি। এরপর এজলাস থেকে তাকে নেয়া হয় কোর্ট হাজতখানায়। সেখান থেকে কারাগারে নেয়ার প্রস্তুতির মধ্যেই তৎপর হন বিএনপির আইনজীবীরা। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে জামিন নাকচের আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন নিয়ে আইনজীবীরা ফের যান আদালতে। সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে একই বিচারক জামিন দিয়ে দেন ফখরুলকে।
 
মির্জা ফখরুলের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, বিকেল চারটায় শুনানি শেষে জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন একই আদালত।
 
সকালে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন মির্জা ফখরুল।  শুনানি শেষে দুই মামলায় জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।
 
গত ২৯ ফেব্রুয়ারি মির্জা ফখরুলকে ১৫ দিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে ৫ সদস্যের আপিল বিভাগ।
 
২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে ২০ দলীয় জোটের আন্দোলনের সময় পল্টন থানার নাশকতার ওই তিন মামলায় মির্জা ফখরুলকে হাইকোর্ট অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়ে রুল জারি করেছিলেন। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিলে গেলে আপিল বিভাগ রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিন এবং জামিনের মেয়াদ শেষে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেন। এছাড়াও হাইকোর্টকে রুল নিষ্পত্তি করতে বলেন। হাইকোর্ট গত বছরের ২৪ নভেম্বর রুল নিষ্পত্তি করে ওই তিন মামলায় মির্জা ফখরুলকে তিন মাসের জামিন দেন।