আশুগঞ্জে নির্বাচনী পরবর্তী সহিসংতায় অর্ধশতাধিক আহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত দুই পক্ষের সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটে।আহতদের জেলা ও স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
 
জানা গেছে, এ সংঘর্ষ অন্তত গ্রামের চারটি স্পটে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে গ্রামের অন্তত কয়েক হাজার লোক অংশ নেয়। পুরো গ্রাম রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বাড়িঘর, দোকানপাট ভাঙচুর, লুটপাটের ঘটনা ঘটে। 
 
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ২২ মার্চ প্রথম দফায় ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুর্গাপুর গ্রামের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন মাজু মিয়ার সঙ্গে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জিয়াউল করিম খান সাজুর সমর্থক রুমান ও খলিলুর রহমানের বিরোধ চলছিল। নির্বাচনে দুর্গাপুর গ্রামের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন মাজু মিয়া  পরাজিত হলে এ উত্তেজনা আরো বাড়তে থাকে। এর জের ধরে মঙ্গলবার দুর্গাপুর গ্রামের বড় বাড়ির আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জিয়াউল করিম খান সাজুর সমর্থক জুয়েলকে একই গ্রামের নগর পাড়ার আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী মোয়াজ্জেম হেসেন মাজুর সমর্থক ফরিদ ও স্বপন মারধর করে। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।বৃহস্পতিবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হলে পরে ব্রাহ্মনবাড়িয়া থেকে দাঙ্গা পুলিশ এসে দুপুর একটায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
 
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহকারী পুলিশ সুপার মাহবুবুল আলম খান জানান, বর্তমানে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরবর্তী সংঘর্ষ ঠেকাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।