দ্বিতীয় দফার ইউপি নির্বাচনের ভোট চলাকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আওয়ামী লীগ-বিএনপির সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন উভয়পক্ষের শতাধিক কর্মী-সমর্থকরা।
দ্বিতীয় দফায় বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে দেশের ৬৩৯ টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ভোটগ্রহণ চলে। সকালে সহিংসতার মাত্রা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে তা বাড়তে শুরু করেছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতা ঢাকার কেরাণীগঞ্জে এক শিশুসহ মোট ছয়জন নিহত হয়েছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, কেরানীগঞ্জে এক কেন্দ্রের বাইরে দুই পক্ষের গোলাগুলির মধ্যে এক শিশুর (১০) মৃত্যু হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মধুরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
যশোর অফিস জানিয়েছে, বেলা ১১টার দিকে যশোরের সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের ভাতুরিয়া সরকারি প্রাথমিক কেন্দ্রে গুলিতে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় বেশ কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ও ১০ থেকে ১৫টি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
জামালপুর প্রতিনিধি জানান, জেলার শ্যামপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় জানা যায়নি।
চট্টগ্রাম অফিস জানায়, চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সদ্বীপে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় দুই পক্ষে সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন- সানাউল্লাহ, জামাল উদ্দিন এবং মো. ইব্রাহিম। এ ঘটনায় এক পুলিশ কনস্টেবলসহ ৭ জন আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।