মামলা জট কমিয়ে আনতে দেশে সান্ধ্য আদালত চালুর উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। শুক্রবার সাভারের খাগান ব্র্যাক সেন্টারে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আয়োজিত 'অধস্তন আদালতের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের বিচারিক কাজের যথাযথ মূল্যায়ন এবং সাফল্য নির্ধারণের মানদণ্ড নিরূপন' শীর্ষক দুদিনব্যাপী কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ষোল কোটি মানুষের দেশে মাত্র ১৬শ জন বিচারক নিতান্তই অপ্রতুল। তারপরও আছে বিচারকক্ষের স্বল্পতা।
'১৭৩ জন বিচারককে পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করতে হয়, যে কারণে মামলা জটে আটকে রয়েছে ত্রিশ লাখ মামলা। এই মামলা নিষ্পত্তিতে আইনজীবী ও সরকারের সাড়া পাওয়া গেলে অচিরেই দেশে সান্ধ্য আদালত চালু করা হবে।'
প্রধান বিচারপতি বলেন, 'দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা আর মানবাধিকার রক্ষার জন্য আমাদের সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান। আমরা যে কোনো মূল্যে এই সংবিধানের মর্যাদা রক্ষায় বদ্ধপরিকর।'
পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদের সংবিধানে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'এই আইন ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।'
কর্মশালায় প্রথম দিন বিভিন্ন পর্যায়ের ৪০ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা অংশ নেন। দ্বিতীয় দিন শনিবার আরো ৪০ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা বিভিন্ন আলোচ্য বিষয়ে অংশগ্রহণ করবেন।
ইউএসএইডের সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা ব্লুম বার্নিকাট। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম। বিডি নিউজ।