ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি প্রায় শেষের পথে। চলছে শেষ সময়ের হিসাব। বিশ্লেষকরা খুজে বের করছেন সেরা সব ইনিংস ও স্পেল। এর মাঝেই বিশ্বকাপে ব্যাটিং-বোলিংয়ে নজরকাড়া পারফরম্যান্স জায়গা করে নিলেন বাংলাদেশি ওপেনার তামিম ইকবাল ও মুস্তাফিজুর রহমান।
বাংলাদেশের সেরা উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিমের ব্যাটেই আসে চলতি আসরে প্রথম শতক। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এবং স্বাভাবিকভাবেই এই সংস্করণের বিশ্বকাপে এটাই বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের প্রথম শতক।
প্রথম রাউন্ডের আবরণে হওয়া বাছাইপর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে অপরাজিত ১০৩ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন তামিম। ৬৩ বলে খেলা তার দুর্দান্ত ইনিংসটি ১০টি চার ও ৫টি ছক্কা সমৃদ্ধ। তামিমের সেই ইনিংসে ভর করে মূল আসরে পৌঁছায় বাংলাদেশ।
এরপর সুপার টেনে বল হাতে জাদু দেখান মুস্তাফিজ। চোটের জন্য টুর্নামেন্টের প্রথম চার ম্যাচে খেলা হয়নি তার। অস্ট্রেলিয়া-ভারতের বিপক্ষে ছিল তার সামর্থ্যের ইঙ্গিত। ২০ বছর বয়সী মুস্তাফিজের সেরাটা আসে শেষ ম্যাচে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ২২ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন এই তরুণ পেস বোলিং সেনসেশন, তার চারটিই ছিল বোল্ড।
ক্রিস গেইল, বিরাট কোহলি খেলেছেন দারুণ কিছু ইনিংস। মুস্তাফিজুর রহমান, মিচেল স্যান্টনারদের কাছ থেকে অসাধারণ বোলিংও দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব।অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাঁচা-মরার ম্যাচে কোহলির অপরাজিত ৮২ রানের ইনিংস আছে সেরা দশে। সেখানে তার সঙ্গী অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ প্রায় ঘুরিয়ে দেওয়া ৭৩ রানের ইনিংস তাকে রেখেছে এই তালিকায়। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দেয় ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচে করা জো রুটের ৮৩ রানের ইনিংস আছে সেরা দশে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই অপরাজিত ১০০ রান করে সেখানে তার সঙ্গী গেইল।
বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যবধান গড়ে দেওয়া ৪৯ রানের ইনিংসে সেরা দশে আছেন শহিদ আফ্রিদি। ভারতের বিপক্ষে ১১ রানে চার উইকেট নিয়ে একমাত্র স্পিনার হিসেবে এই তালিকায় আছেন নিউজিল্যান্ডের স্যান্টনার।