ঝিনাইগাতী সীমান্তে বন্যহাতির তাণ্ডব অব্যাহত

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার পাহাড়ি গ্রামগুলোতে বন্যহাতির তাণ্ডব অব্যাহত রয়েছে।
 
বন্যহাতির তাণ্ডবে বিপর্যস্ত এসব পাহাড়ি গ্রামগুলো হচ্ছে, সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের তাওয়াকোচা, গুরুচরণ দুধনই, পানবর, বাকাকুড়া, ছোট গজনী, গান্ধিগাও, গজনী, হালচাটি, নওকুচি, রাংটিয়া, সন্ধ্যাকুড়া ও গোমড়া। এসব লোকজনের মধ্যে এখন হাতি আতঙ্ক বিরাজ করছে। বর্তমানে প্রায় প্রতিরাতেই দল বেধে খাদ্যের সন্ধানে বন্যহাতি পাহাড়ি গ্রাম গুলোতে তাণ্ডব চালাচ্ছে। ক্ষেতের ফসল, গাছের কাঠাল, কলার বাগানসহ গাছপালা খেয়ে ও দুমড়ে-মুচড়ে একাকার করে ফেলছে। হাতির দল দিনে ভারত সীমান্তের গভীর অরণ্যে আশ্রয় নিচ্ছে। সন্ধ্যার পর লোকালয়ে নেমে এসে এলাকার জানমাল ও ক্ষেতের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে চলেছে। বন্যহাতির কবল থেকে জানমাল ও ক্ষেতের ফসল রক্ষায় গ্রামবাসীরা রাতজেগে পাহাড়া দিচ্ছে। ঢাক-ঢোল, পটকা ফাটিয়ে ও মশ্বাল জ্বালিয়ে হাতি তাড়ানোর ব্যর্থ চেষ্টা চালাচ্ছে। যতই হাতি তাড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে ততই বন্যহাতির দল তেড়ে আসছে লোকালয়ে।
 
গ্রামবাসীরা জানায়, বোরো মৌসুমের শুরুতেই প্রতি বছর এ গ্রামগুলোতে বন্যহাতির তাণ্ডব বৃদ্ধি পায়। রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।