গাজীপুরে এক গার্মেন্টসকর্মীকে (১৮) গণধর্ষণের অভিযোগে নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রবিবার দুপুরে গাজীপুর মহানগরীর ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- শহীদ (৩০), নাহিদ হাসান (২৫), লন্ড্রি ব্যবসায়ী সুজন (৩০) ও স্থানীয় মুদি দোকানী মুক্তা বেগম (২৮)। মুক্তা বেগম তাদের ধর্ষণে সহায়তা করেন। ওই গার্মেন্টসকর্মীর বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জে।
এ ঘটনায় ওই ওই গার্মেন্টসকর্মীর মা বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে জয়দেবপুর থানায় মামলা করেছেন।
জানা গেছে, ওই গার্মেন্টসকর্মী পরিবারের সঙ্গে কোনাবাড়ির পারিজাত এলাকার ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করে। গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে মুক্তা বেগম কৌশলে তাকে পাশের সাত তলা ভবনের সপ্তম তলার একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে যায়। এর ১০-১৫ মিনিট পর নাহিদ ও শহিদ গিয়ে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে তাকে ওই কক্ষে তালা দিয়ে আটকে রাখা হয়। পরদিন একইভাবে তারা তাকে ধর্ষণ করে। শনিবার সকাল ৬টার দিকে মুক্তা বেগম তালা খুলে তাকে ছেড়ে দেয়।
ওই গার্মেন্টসকর্মীর বাবা-মা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তাদের মেয়ে বাসায় না ফেরায় খোঁজা শুরু করেন। শনিবার বাসায় ফিরে ধর্ষণের ঘটনাটি তাদের জানায়। পরে তারা বিষয়টি স্থানীয় ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সেলিম রহমানকে জানান। কাউন্সিলরের ডাকে উপস্থিত হলে তিনি থানায় খবর দিলে পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে যায়।
জয়দেবপুর থানার ওসি খন্দকার রেজাউল হাসান রেজা জানান, ধর্ষণের ঘটনায় এক নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্যে হাসপাতালে পাঠানো হবে।