পরিকল্পিত ক্রসফায়ারের দায়ে ভারতে ৪৭ পুলিশের যাবজ্জীবন

সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে ১০ জন শিখ তীর্থযাত্রীকে হত্যা করায় ৪৭ জন পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ভারতের একটি বিশেষ আদালত। পূর্ব পরিকল্পিতভবে এই হত্যাকাণ্ডের পর এনকাউন্টারের ভুয়া নাটক ফেঁদেছিল পুলিশ।
 
১৯৯১ সালে উত্তরপ্রদেশে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। আদালত আরো ১০ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করেছে যারা ইতিমধ্যে মারা গেছেন।
 
১৯৯১ সালের ১২ জুলাই তীর্থযাত্রীদের বহনকারী একটি বাস থামায় পুলিশ সদস্যরা। বাস থেকে নারী ও শিশুদের রেখে ১০ পুরুষ যাত্রীকে বাস থেকে নামতে বাধ্য করে তারা। ঘটনাস্থলে আরো পুলিশ এসে যোগ দেয়ার পর তারা ওই ১০ জনকে কয়েকটি দলে ভাগ করে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করে।
 
ঘটনার পর পুলিশ হত্যাকাণ্ডটিকে 'ক্রসফায়ার' হিসেবে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ দাবি করে, নিহত শিখেরা চরমপন্থী এবং ঘটনার সময় সশস্ত্র অবস্থায় ছিল। বলা হয়, ‘এনকাউন্টারে’ খালিস্তানপন্থী ১০ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।
 
ভারতের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে সিবিআই মামলাটির তদন্ত করে জানায়, পুরস্কার অর্জন ও ‘সন্ত্রাসী’ হত্যার কৃতিত্ব জাহির করাই ছিল এই খুনের উদ্দেশ্য। সূত্র: এনডিটিভি, বিবিসি