বিশ্বের অন্যতম মোবাইল হ্যান্ডসেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
এ ব্যাপারে সাকিব আল হাসান বলেন, ‘হুয়াওয়ে সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত। প্রতিষ্ঠানটি গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে আইসিটিতে নতুনত্ব ও উন্নতমান বজায় রেখে আধুনিক ডিভাইস, টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো ও সেবা নিয়ে এসেছে। বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ হুয়াওয়ের সল্যুশনস, পণ্য ও সেবা ব্যবহার করছে। এছাড়া বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের বাজারে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে হুয়াওয়ে। আমার ক্যারিয়ারের সফলতা বজায় রাখতে এবং ভবিষ্যতে দেশের মানুষের উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিৎ করার পাশাপাশি দেশ ও দেশের বাইরে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করব।’
হুয়াওয়ে টেকনলোজিস (বাংলাদেশ)-এর প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা ঝাও হাওফু বলেন, ‘নতুনত্ব ও উদ্ভাবণী প্রযুক্তি তৈরিতে সবসময় এগিয়ে রয়েছে হুয়াওয়ে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ অপারেটরদের পাশাপাশি সমান্তরালভাবে বাংলাদেশের গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকসহ বিভিন্ন অপারেটরের নেটওয়ার্ক সল্যুশনস সেবা দেয়ার মধ্য দিয়ে নেটওয়ার্ক স্থাপনা ও কারিগরি সেবায় শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছি আমরা। অন্যদিকে গুগলের সঙ্গে মিলে নতুন নেক্সাস সিক্স পি তৈরি করেছি আমরা। এছাড়া বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মার্সিডিজ-বেঞ্জ ও অডিসহ বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে গাড়ির ইন্টারনেট অব ভেলিক্যাল (আইওভি) পণ্য তৈরি এবং সরবরাহ করছি আমরা।’
তিনি আরো জানান, ‘‘ইন্টারব্র্যান্ড ইউএস গত ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত জরিপের ফলাফলে হুয়াওয়ে চীনভিত্তিক একমাত্র ব্র্যান্ড যারা বিশ্বের ১০০ শীর্ষস্থানীয় তালিকার ৯৪ থেকে ৮৮তম স্থানে এগিয়ে এসেছে। অন্যদিকে ২০১৫ সালের মে মাসে ব্র্যান্ডজেড-এর প্রকাশিত জরিপে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্র্যান্ডের তালিকায় হুয়াওয়ে ৭০তম হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে। এমনকি ফাস্ট কোম্পানীজ অ্যানুয়াল লিস্ট-এর শীর্ষ ৫০ উদ্ভাবণী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় হুয়াওয়ে রয়েছে ১৩তম স্থানে।
তিনি বলেন, ‘আজ আমরা এমন একজন মানুষের সঙ্গে একিভূত হচ্ছি যে কিনা বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের অনেক মানুষের অনুপ্রেরণা। তিনি তাঁর দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মনোভাব নিয়ে নিজের প্রতিভা ও দক্ষতা প্রমাণ করে চলেছে। তিনি যেমন বিশ্বসেরা ঠিক তেমনি হুয়াওয়েও তথ্য প্রযুক্তি ও নেটওয়ার্ক সেবাদানকারী ব্র্যান্ড হিসেবে সেরা, আর এ সহজ সমীকরণ আমরা মিলিয়েছি একসঙ্গে পথ চলা শুরু করার মাধ্যমে।’