যশোরে মঙ্গলবার রাতে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গাছপালা ও বাড়িঘর ভেঙ্গে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছে। এ ছাড়া শহরের নাজিরশংকরপুর এলাকায় নির্মাণাধীন হাইটেক সফটওয়্যার পার্কের ক্রেন ছিড়ে ৮ শ্রমিক আহত হয়েছেন।
গাছ ভেঙ্গে পড়ায় যশোর-খুলনা ও যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলার অধিকাংশ এলাকা এখন বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে হঠাৎ করে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। এর সঙ্গে শুরু হয় শিলাবৃষ্টি। ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি ভেঙ্গে গেছে। বিদ্যুৎলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আহত ২০ জন যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ঝড়ের পর রাতেই যশোরের জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর আহতদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান।
ঝড়ের কারণে শহরের নাজিরশংকরপুর এলাকায় নির্মাণাধীন হাইটেক সফটওয়্যার পার্কের ক্রেন ছিড়ে শ্রমিকদের থাকার জন্য নির্মিত অস্থায়ী শেডের ওপরে পড়ে। এতে ৮ শ্রমিক আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া শহরের প্রধান প্রধান মোড়ে নির্মিত রাজনৈতিক সংগঠনের তোরণগুলোও ভেঙ্গে পড়েছে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ভেঙ্গে যাওয়া তোরণ অপসারণ করেছে।
ঝড়ে যশোর-খুলনা মহাসড়কের বেঙ্গল জুটমিলের সামনে একটি বড় গাছ ভেঙ্গে পড়েছে। অপরদিকে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের মালঞ্চিতেও একটি গাছ ভেঙ্গে পড়েছে। এ কারণে এ দুই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা জানিয়েছেন, এই ঝড়ে বোরো ক্ষেতের ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।