কাউখালীতে তদন্ত কর্মকর্তার সামনেই ঘুষের টাকা ফেরত

পেনশনভোগী শিক্ষকদের কাছ থেকে উৎকোচের ১১ হাজার ৫০০ টাকা  ফেরত দিলেন পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা উত্তম কুমার মণ্ডল।
 
জানা গেছে, উত্তম কুমার মণ্ডল শিক্ষকদের বেতনভাতাসহ নানা দাপ্তরিক কাজে হয়রানি করে আসছিলেন। এ নিয়ে ভূক্তভোগী শিক্ষককরা ক্ষুব্দ হয়ে তাকে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধনসহ নানা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। এ ঘটনার পর বুধবার ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব একাউন্টস মো, রেফায়েত উল্লাহ তদন্তে কাউখালীতে আসেন । এ সময় দোষ স্বীকার করে ও তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে কাউখালী উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসার উত্তম কুমার মণ্ডল ঘুষ নেয়া ১১ হাজার ৫০০ টাকা  সংশ্লিষ্টদের ফেরত দেন।
 
স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, কাউখালী উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসারের বিরুদ্ধে কাউখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের দায়ের করা ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে এলে তদন্তকারী কর্মকর্তার সম্মূখেই ভুক্তভোগী পেনশনভোগী শিক্ষিকা কনক রানী হালদারকে পাঁচ হাজার টাকা এবং ৬৫ জন পেনশনভোগী শিক্ষকের ১০০ টাকা হারে ৬ হাজার ৫০০ টাকা ফেরত দেন উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসার।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা বরিশাল বিভাগীয় কন্ট্রোলার অব একাউন্টস মো, রেফায়েত উল্লাহ সাংবাদিকদের কাছে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
 
প্রসঙ্গত, কাউখালী উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার অফিসার উত্তম কুমার মণ্ডলের ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি উপজেলা সদরে সংবাদ সম্মেলন শেষে মানববন্ধন করে তার অপসারণ দাবি করে। পরবর্তীতে এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করায় অর্থমন্ত্রী বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ ।