জেপির জাতীয় কাউন্সিল আজ

 
জাতীয় পার্টি-জেপি’র ত্রিবার্ষিক জাতীয় কাউন্সিল আজ। গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা, সুশাসন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নিয়ে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কাউন্সিলে সারাদেশ থেকে ১৫০০ কাউন্সিলর ও সমসংখ্যক ডেলিগেট যোগ দিচ্ছেন।
 
কাউন্সিল উপলক্ষে জাতীয় পার্টির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মাঝে বিপুল উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। কাউন্সিল অধিবেশন চারটি পর্বে বিভক্ত থাকবে। উদ্বোধনী অধিবেশন শুরু হবে সকাল ১০টায়। এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। উদ্বোধনী অধিবেশনে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত থাকবেন। এই   অধিবেশন চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। উদ্বোধনী অধিবেশন সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
 
নামাজ ও মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির পর অপরাহ্ন ১টা ৪৫ মিনিটে ২য় অধিবেশন শুরু হবে। এই অধিবেশনে পার্টির মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম তার রিপোর্ট পেশ করবেন এবং কাউন্সিলরবৃন্দ আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন। এই অধিবেশন বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ৩য় অধিবেশন শুরু হবে সোয়া ৪টায়। এ অধিবেশনে দলের গঠনতন্ত্র যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে সংশোধনী প্রস্তাবসমূহ আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে। এই অধিবেশনে কাউন্সিলরদের প্রস্তাবসমূহ পেশ ও গৃহীত হবে। এর পরেই চতুর্থ অধিবেশন, যেখানে আগামী ৩ বছরের জন্য পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই অধিবেশন কেবলমাত্র কাউন্সিলরদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে। এছাড়া কাউন্সিল উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে।
 
এদিকে দলের কাউন্সিল অধিবেশন-২০১৬ উপলক্ষে জাতীয় পার্টি-জেপি’র চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, দেশ ও জাতির ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের এই ঐতিহাসিক কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতীয় পার্টির ঐতিহ্য হলো দলের অভ্যন্তরে যুগোপযোগী সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক ধারা সুপ্রতিষ্ঠিত করা। নেতৃদ্বয় দলের সকল কাউন্সিলর ও ডেলিগেটদের সম্মেলন সুশৃঙ্খলভাবে সফল করার আহ্বান জানান।
 
বিবৃতিতে জেপি নেতৃদ্বয় আরো বলেন, জাতীয় পার্টির এই সম্মেলনে কাউন্সিলরদের প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ৩ বছর নবনির্বাচিত কর্মকর্তাবৃন্দ দল পরিচালনা করবেন। তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে এবং জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে জাতীয় পার্টি এমন কর্মসূচি গ্রহণ করবে; যা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অবিনশ্বর করে রাখবে। বিবৃতিতে তারা সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে জাতীয় পার্টির সাফল্যের ধারা আগামীতেও অব্যাহত রাখার জন্য যুগোপযোগী কর্মসূচি প্রণয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।