টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৫ জন আহত হয়েছে। এ সময় অন্তত ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় এমপি রানা ও লেবুর সমর্থকদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে প্রায় আধা ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। পরে ঘাটাইল ও কালিহাতী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু জানান, শনিবার সন্ধ্যায় জেলা আওয়ামী লীগ ফারুক আহম্মেদ হত্যা মামলা আসামি এমপি রানাসহ তার তিন ভাইয়ের গ্রেফতার দাবিতে উপজেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল মিছিল নিয়ে ঘাটাইল থেকে হামিদপুরে যান। হামিদপুর থেকে ঘাটাইল ফেরার পথে রানার সমর্থকরা তাদের মিছিলে হামলা চালিয়ে তিনটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও ৭টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় ইকবাল হোসেন খান, মাহবুব আলম তপন ও সজল নামে তিন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
এ দিকে আওয়ামী লীগের হামিদপুর আঞ্চলিক শাখার আহ্বায়ক এমপি রানার আনুসারী মহি উদ্দিন বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে অফিসে বসে আলোচনা করছিলাম। এ সময় ২০-২৫টি মোটরসাইকেল নিয়ে এসে লেবুর অনুসারীরা অফিসে হামলা চালায় ও উপস্থিত নেতাকর্মীদের মারধর করে। এ সময় হালিম ও টিটু নামে দুই কর্মী আহত হয়। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতা বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে। তারা লেবু অনুসারীদের ধাওয়া দেয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।