এক বছর পর আবারো বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হতে যাচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফ। এমন গুঞ্জনই ভেসে বেড়াচ্ছে ফুটবল অঙ্গনে। বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে এমন খবর প্রকাশিত হওয়ার পর আশায় বুক বেধেছিলেন ক্রুইফ ভক্তরা। কিন্তু সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ক্রুইফ নিজেই বলে দিলেন, তিনি এখনই আসছেন না।
নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘কিছু গণমাধ্যমে এসেছে যে আমি বাংলাদেশে ফিরতে পারি। কিন্তু আমার সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হয়নি। আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানিনা।’
২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ডি ক্রুইফের সাথে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছিল বাফুফের। এরপর আর তার সাথে চুক্তি নবায়ন করা হয়নি।
২০১৩ সালে প্রথমবারের মত ক্রুইফকে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব দেয়া হয়। ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে চাকরি ছেড়ে দিলে পরের বছরের জানুয়ারী মাসে আবারো নিয়োগ দেয়া হয় ক্রুইফকে। সেবার শুধু বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের জন্যেই তাকে রাখা হয়েছিল। এরপর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বসহ বেশ কিছু ম্যাচের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছিল ক্রুইফকে। শেষ পর্যন্ত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন তিনি। মাঝে দায়িত্ব পালন করেন সাইফুল বারি টিটু।
এরপর ক্রুইফের পরিবর্তে বাংলাদেশ দলে এসেছিলেন ইতালিয়ান ফ্যাবিও লোপেজ। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে বাজে পারফর্মেন্সের জন্য মাত্র দুই মাসের মধ্যেই লোপেজকে ছাঁটাই করে বাফুফে।
লোপেজের পর অভিজ্ঞ মারুফুল হকের উপর দায়িত্ব দেয়া হয় দল সামলানোর; কিন্তু সাফে ব্যর্থতা এবং ২০১৬ সালের বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে বাজে পারফর্মেন্সের জন্য তিনি বাংলাদেশ ফুটবল দলের কোচ থাকতে আর রাজি হননি। মারুফুল হকের পর আপাতত দায়িত্ব পালন করছিলেন স্প্যানিশ গঞ্জালো সানচেজ মোরেনো।