ছাত্রলীগ ক্যাডার নিয়াজ মোরশেদ সোহাগ ওরফে পাসপোর্ট সোহাগকে শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী মুক্তিযোদ্ধা পার্ক থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সর্বশেষ বিএম কলেজের ছাত্রলীগ নেতা কর্ম পরিষদের ক্রীড়া সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ মুন্নাকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় দায়েকৃত মামলার এজাহারভূক্ত আসামি পাসপোর্ট সোহাগ।
বরিশাল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক সোহাগ বিএম কলেজের কর্ম পরিষদের ভিপি মঈন তুষারের হয়ে তিনি ক্যাম্পাসে কাজ করতেন। ২০১৩ সালে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ শঙ্কর চন্দ্র দত্তকে প্রকাশ্যে রাস্তায় পিটিয়ে আলোচনায় আসেন। তখন অধ্যক্ষের ওপর সোহাগ চড়াও হওয়ার দৃশ্য পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হলে তৎকালিন সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত হোসেন হিরন তাকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেন। কিন্ত সোহাগের বেশি দিন কারাগারে থাকতে হয়নি। দলীয় প্রভাবে খুব দ্রুত কারাগার থেকে মুক্তি পান।
কোতয়ালি মডেল থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানান, পাসপোর্ট সোহাগের বিরুদ্ধে ছিনতাইসহ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। বিএম কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মুন্নাকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তিনি অন্যতম আসামি। এসব মামলায় তাকে শনিবার আদালতে সোর্পদ করার হবে বলে জানান ওসি।