পশ্চিমাবিশ্বে অনেক খেলারই অবিচ্ছেদ্য অংশ এখন চিয়ারলিডার। উপমহাদেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও এখন দেখা যাচ্ছে চিয়ারলিডারদের।
সর্বপ্রথম চিয়ারলিডারের সঙ্গে বিশ্ববাসীর পরিচয় হয় ১৮৯৮ সালের ২ নভেম্বর। ইউনিভার্সিটি অফ মিনেসোতা ছয়জন পুরুষ শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি চিয়ারলিডিং এর আয়োজন করে।
শতবর্ষ পার হয়ে গেলেও এখনও সেই ধারা অব্যাহত হয়েছে। খেলার সময় দলকে সমর্থকদের সাথে চিয়ারলিডার নেচে সমর্থন করেন। তবে ইচ্ছা করলেই চিয়ারলিডার হওয়া যায় না। এরই জন্য রীতিমত পরীক্ষায় বসতে হয় তাঁদেরও। পাস করলে চাকরি, ফেল হলেই, `আপনি আসতে পারেন`।
এমনটাই ঘটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। পরীক্ষা দিয়েই বেছে নেওয়া হয় চিয়ারলিডারদের। পরীক্ষায় থাকে `বুদ্ধিমত্তার টেস্ট`। শুধু রূপে মাত করলেই চলবে না, হতে হবে স্মার্ট এবং ইনটেলিজেন্ট। একের পর এক ধাপ পেরিয়েই বাছাই হন একজন আদর্শ চিয়ারলিডার। এখানেই শেষ নয়। জানতে হবে নাচও। নাচের প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা থাকবেন, তাদের সঙ্গেই হবে চুক্তি।