মেঘনার নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধ ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর-রামগতি সড়কের তোরাবগঞ্জ থেকে করুণানগর বাজার এলাকার ১০টি পয়েন্টে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
কমলনগর নদী ভাঙ্গণ প্রতিরোধ কমিটির উদ্দ্যোগে মানবন্ধনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার প্রায় ২০ হাজার মানুষ অংশ গ্রহন করেন।
কমলনগর উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাজির হাট উপকুল ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মোতালেব, উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো. শামছুল আলম, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল আমিন মাস্টার, ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রাজু, অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক, চরফলকন ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এ এন এম আশরাফ উদ্দিন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, কমলনগর উপজেলার মতিরহাট এলাকা থেকে কালকিনি সাহেবের হাট, চর ফলকন ও পাটারীর হাট এ চারটি ইউনিয়নের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা মেঘনা নদীর তীর ভেঙ্গে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া ডুবোচরের কারনে ঢাকা- চট্রগ্রামে চলাচলকৃত জাহাজ গুলো চলাচলে বিঘ্নতা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই ভাঙ্গন রোধ ও নদী খনন করার দাবি জানান তারা।
একই সাথে এ উপজেলায় বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত সরবরাহের দাবি জানান বক্তারা। দাবি মানা না হলে আন্দোলন অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারী দেন মানববন্ধনের আয়োজকরা। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল আলম মজুমদারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি দেয়া হয়।