অ্যামচেমের উদ্দেশে স্পিকার

‘জিএসপি পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখুন’

দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশকে (অ্যামচেম) কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা (জিএসপি) ফিরে পেতেও আপনারা কাজ করতে পারেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরো বেশি বিনিয়োগ আনতে অ্যামচেম নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ জানান।
 
বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত মাসিক মধ্যাহ্ন ভোজসভায় স্পিকার আরো বলেন, দেশে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বা পিপিপি এখনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। অ্যামচেম সভাপতি নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স ডেভিড মিলিও বক্তব্য রাখেন।
 
শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, গত কয়েক বছরে দারিদ্র্য বিমোচন, প্রাথমিক শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, রিজার্ভ, রেমিটেন্সহ বিভিন্ন সূচকে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে বাংলাদেশে। এগুলো অর্জন সম্ভব হয়েছে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সরকারের গৃহীত নীতি, সামাজিক সুরক্ষা কৌশলপত্র, প্রযুক্তি বিকাশের কারণে। তবে শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ালেই হবে না, পাশাপাশি অসমতাও কমাতে হবে।
 
স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী  বলেন, আগামী ১৫ বছর মেয়াদী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (এসডিজি) আয় বৈষম্যের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। যদিও এসডিজি বাস্তবায়নে অর্থায়ন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। সেজন্য অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায়ের হার বাড়ানোর ওপর জোর দেন স্পিকার।
 
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স ডেভিড মিলি বলেন, গণতন্ত্র হলো পছন্দের বিষয়। একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রধান শর্তই হলো জনগণকে তাদের নেতা নির্বাচনে স্বাধীনভাবে সুযোগ করে দেয়া। তেমনি মুক্ত বাজার অর্থনীতির প্রধান শর্তই হলো একজন ভোক্তাকে একটি পণ্য বা সেবা কেনার ক্ষেত্রে তার পছন্দের ওপর পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়া।
 
অ্যামচেমের সভাপতি নুরুল ইসলামও জোর দেন বেসরকারি বিনিয়োগের দিকে। তিনি বলেন, দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ছে না। সরকার চেষ্টা করছে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে। কিন্তু সেটি কাজে আসছে না।