ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ(ডিপিএল) এ বড় জয় পেয়েছে ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোটিং ক্লাব লিমিটেড। রবিবার সকালে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৭৮ রানে হারায় তারা।
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মোহামেডান তিন হাফসেঞ্চুরিতে ২৮৫ রানের বড় পুঁজি সংগ্রহ করে। জবাবে ২০৭ রানেই থেমে যায় ব্রাদার্সের ইনিংস।
সংগ্রহ বড় হলেও শুরুটা ভালো ছিলো না মোহামেডানের। দলীয় ২১ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার এজাজ আহমেদ ও সৈকত আলীকে হারায় তারা। তবে দলকে কোনও চাপই বুঝতে দেননি মোহামেডানের লঙ্কান ব্যাটসম্যান উপুল থারাঙ্গা ও অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৩৫ রানের জুটি গড়েন এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। সেঞ্চুরি করতে না পারলেও ইনিংসটা স্বস্তিই দিয়েছে মুশফিককে। বাংলাদেশ দলের দীর্ঘদিন রান খরায় ভুগছিলেন এই ডানহাতি এই মিডল অর্ডার। তাই ঘরোয়া ক্রিকেটে হলেও ৮০ বলের এই ইনিংসটাই চেনা পথে ফিরতে আত্মবিশ্বাস যোগাবে মুশফিককে।
মুশফিকের পর ৭০ রান করা লঙ্কান বাঁহাতি ব্যাটসম্যান উপুল থারাঙ্গাও সাজঘরে ফেরেন। এরপর ব্রাদার্সের বোলারদের ওপর টর্নেডো বইয়ে দিয়েছেন নাজমুল হোসেন মিলন। তাকে সঙ্গ দেওয়া আরিফুল হক ৪১ করে থামলেও মিলন মাত্র ৪১ বলে ৭০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ২৮৫ রান তোলে মোহামেডান। ব্রাদার্সের বোলারদের মধ্যে মো. শহীদ ও আসিফ হাসান দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোচট খায় ব্রাদার্স। ইমরুল কায়েস রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান সাজঘরে। এরপর অধিনায়ক শাহরিয়ার নাফীসও কিছু করতে পারেননি। আরেক তারকা ব্যাটসম্যান নাফিস ইকবালও ২২ রান করে থামেন।
ব্রাদার্সের হয়ে সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন চলতি বছরের শুরুতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলা বাঁহাতি উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান জাকির হাসান। তিনি একাই ব্রাদার্সের রানের চাকা ঘুরিয়েছেন। শেষের দিকে ইফতেখার সাজ্জাদের ২৯ ও নূর আলমের ৩৬ রান হার ঠেকাতে পারেনি ব্রাদার্সের।
মোহামেডানের বোলারদের মধ্যে শুভাশিষ রায় সর্বোচ্চ তিনটি এবং হাবিবুর রহমান ও এনামুল জুনিয়র ২টি করে উইকেট নেন।