বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বানকে সামনে রেখে ১৪ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে 'বাঁচাও ফুটবল' প্যানেল। রবিবার রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ওই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
সালাহউদ্দীনের সম্মিলিত পরিষদ তাদের ইশতেহারে বলেছে প্রতিটি উপজেলায় ফুটবল একাডেমি নির্মাণ করা হবে। 'বাঁচাও ফুটবল' পরিষদ অবশ্য প্রথমে আট বিভাগীয় পর্যায়ে একাডেমি, এরপর জেলা পর্যায়ে একাডেমি করার কথা বলেছে।
তারা জানায়, বর্তমানে শিক্ষিত ফুটবলার সংকট রয়েছে। আগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে খেলোয়াড় কোটা চালু ছিল। এক দশকের বেশি সময় ধরে এটি বন্ধ। 'বাঁচাও ফুটবল' পরিষদ জয়ী হলে বিশ্ববিদ্যালয় খেলোয়াড় কোটা চালুর জন্যও চেষ্টা করবে।
আরামবাগের সভাপতি মুমিনুল হক সাঈদ এতদিন স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করার কথা বলেছিলেন। তবে এবার আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন বাঁচাও ফুটবল প্যানেলে। সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুলের প্রত্যাহারের বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি বাঁচাও ফুটবলের দুই কর্মকর্তা লোকমান হোসেন ভূঁইয়া ও মঞ্জুর কাদের।
সিনিয়র সহ-সভাপতি পদ আগেই হাত ছাড়া হয়েছে বাঁচাও ফুটবল পরিষদের।
বাঁচাও ফুটবল প্যানেলের নির্বাচনি ইশতেহার
১. বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে প্রশাসনিক ও আর্থিক অনিয়মতান্ত্রিক কার্যকলাপের অবসান ঘটিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনা।
২. জাতির জনক বঙ্গবন্ধু তার সুযোগ্য সন্তান শেখ কামালের নামে মানসম্পন্ন ও জাকজমকপূর্ণ টুর্নামেন্ট আয়োজন।
৩. নিয়মিতভিত্তিতে জেলা লিগ অয়োজন, জেলায় জেলায় কোচ নিয়োগ ও প্রতিভা বাছাইয়ের মাধ্যমে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরি।
৪. ডিএফএ গুলোকে নিয়মিত অনুদান, ফুটবলের জন্য মাঠের ব্যবস্থা, ঢাকার বাইরে নিয়মিত বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট আয়োজন।
৫. রেফারিদের মান উন্নয়ন ও বাফুফের বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটিতে জেলা ও বিভাগের কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্তি।
৬. তৃণমূল পর্যায়ে কোচেস এডুকেশন ও পেশাদার পর্যায়ে আধুনিক কোচিং কর্মসূচি চালু
৭. দেশের আটটি বিভাগে আটটি পূর্ণাঙ্গ ফুটবল একাডেমি ও পরবর্তী পর্যায়ে প্রতিটি জেলায় ফুটবল অ্যাকাডেমি তৈরি।
৮. সিলেট ফুটবল একাডেমিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ।
৯. শেরে বাংলা ও সোহরাওয়ার্দি কাপ পুনরায় চালু করা।
১০. কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে খেলোয়াড় কোটা পুনরায় চালু করা ও নিয়মিত স্কুল ফুটবল আয়োজন।
১১. বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ও চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের ক্লাবগুলোকে স্বনির্ভর ও পেশাদার ক্লাব হিসেবে গড়ে তোলা
১২. জেলা পর্যায়ে ৮ও ১০ বছর বয়সী খেলোয়াড়দের মৌলিক অনুশীলনের ব্যবস্থা
১৩. মহিলা ফুটবলের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে আয়োজন ও প্রশিক্ষণ।
১৪. নিয়মিতভাবে নবীন ও প্রবীন ফুটবলার, সংগঠক, ও সাংবাদিকদের নিয়ে ফুটবল সেমিনার আয়োজন।