শব্দদূষণ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক পরিবেশগত সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। শব্দদূষণের কারণে আগামী প্রজন্ম মানসিক ও শারীরিকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শব্দদূষণের ফলে শ্রবণশক্তি হ্রাস পাওয়া, বধিরতা, হূদরোগ, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা বিঘ্নিত হওয়া, ঘুমের ব্যাঘাতসহ নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। এ জন্য শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বুধবার পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস উপলক্ষে ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক কর্মসূচি’ এর অধীনে মানিক মিয়া এভিনিউতে সমাবেশে বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব বলেন, প্রাণীর যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হলো শব্দ। কিন্তু এই শব্দই আজ আমাদের পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যগত ক্ষতির কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। সরকার শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আমরা যারা শব্দদূষণের সৃষ্টি করছি তারাও এর ক্ষতির শিকার।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, শব্দ দূষণের উত্সগুলো বন্ধ করার পাশাপাশি সকলকে সচেতন হতে হবে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ রইছউল আলম মণ্ডল বলেন, মাত্রাতিরিক্ত শব্দ তৈরির কারণে আমরা আজ ভয়াবহ শব্দদূষণের মধ্যে বাস করছি। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক কর্মসূচি’-এর কর্মসূচি পরিচালক ফরিদ আহমেদ, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট-এর নির্বাহী পরিচালক সাইফুদ্দিন আহমেদ, ধানমন্ডি গভর্মেন্ট বয়েজ হাইস্কুল, কচিকণ্ঠ হাইস্কুল, আইডিয়াল ক্যাডেট স্কুল এবং আলিফ আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও পেশাজীবীরা।