বিনিয়োগকারীদের দাবির মধ্যে রয়েছে পুঁজিবাজারে তারল্য সংকট নিরসনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও গতিশীলতা ফেরাতে ৯০০ কোটি টাকার তহবিল তেমন কোনো প্রভাব না রাখলেও ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল রাখা হলে তা বাজারে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন বিনিয়োগকারীরা। এছাড়া তাদের প্রস্তাবনায় রয়েছে ব্যাংকের বিনিয়োগ সমন্বয়ের সময় ২০২০ সাল পর্যন্ত বাড়ানো এবং বিও একাউন্টের সিডিবিল চার্জ কমানো। বিনিয়োগকারীরা বলছেন, বর্তমান পুঁজিবাজারের বাস্তবতায় কোন বিনিয়োগকারীই লাভের মুখ দেখাতো দূরের কথা বছরের পর বছর ধরে লোকসান গুণছেন। অথচ বিও চার্জ নেয়া হচ্ছে আগের মতোই। তাই সিডিবিএল চার্জ কমানো দরকার। এছাড়া প্লেসমেন্টে শেয়ার ছাড়া কোম্পানিগুলোকে লেনদেনে নিয়ে আসা, মার্চেন্ট ব্যাংকের নিজস্ব মূলধন বৃদ্ধি, পুঁজি বিনিয়োগ নিরাপত্ত আইন প্রণয়ন, পুঁজিবাজার বিষয়ক তথ্য ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তথ্য সমতা তৈরি করার দাবি জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।