ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া জানিয়েছেন, রাজধানীর ৪০ লাখ ভাড়াটিয়ার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।এসব তথ্য যাচাই-বাচাই চলছে।তথ্যে গরমিল পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বুধবার ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি তথ্য জানান।ঢাকার বিভিন্ন বাড়িতে জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের আস্তানা ও বোমা তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়ার পর গত বছরের নভেম্বরে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহের এই কাজ শুরু করে মহানগর পুলিশ।
১৫ মার্চের মধ্যে কাজ শেষের পরিকল্পনা থাকলেও এই বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আবেদন হওয়ায় অনেকে তথ্য দিতে নিরুৎসাহিত হন। তবে ওই রিট আবেদন খারিজ হওয়ায় পুলিশের এই তথ্য সংগ্রহে বাধা আর আসেনি।
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, ইতোমধ্যে ৪০ লাখ ভাড়াটিয়ার তথ্য ফরম কালেকশন করে ফেলেছি। সেগুলোর মধ্যে যেগুলোকে সন্দেহ হচ্ছে, সেগুলো নিয়ে বিভিন্ন মহল্লায় যাচ্ছি। যেগুলো সন্দেহ হবে, গরমিল পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যারা এখনও ভাড়াটিয়া তথ্য ফরম নেননি, তাদের তা নিয়ে পূরণ করে দিতে অনুরোধ জানান পুলিশ কমিশনার।
কাউকে ঘর ভাড়া দেয়ার আগে জেনে-বুঝে, জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে, ছবি রাখতে রাজধানীর বাড়িওয়ালাদের পরামর্শ তিনি।
অপরাধ ঠেকাতে প্রত্যেকটি মহল্লায়, প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, পেশাজীবী, রাজনীতিবিদ ও পুলিশের সমন্বয়ে ‘সার্ভিলেন্স টিম’ গঠনের উদ্যোগ ডিএমপি নিয়েছে। এই কাজ অলরেডি সাত দিন আগে থেকে শুরু হয়েছে। তাদের কাজ হবে সেই এলাকায় কারা আসা-যাওয়া করে, তাদের চালচলন কেমন, তাদের মুভমেন্ট কেমন, কেউ কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত কি না, কারও আচরণ সন্দেহজনক কি না ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ করে সেই তথ্য পুলিশকে দেয়া।