জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, দলীয় প্রতীকে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানের কারণে সংঘাত গ্রাম পর্যায়ে চলে গেছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার এই নির্বাচনে অতীতে এতো বিপুল সংখ্যক প্রাণহানীর ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বলেন, দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যথেষ্ট অবনতি ঘটেছে। তাই বলে এই পরিস্থিতি সামাল দিতে কোনো বিদেশি সাহায্যের প্রয়োজন নাই।
সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ আজ বৃহস্পতিবার বনানীস্থ কার্যালয়ের মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা হরতাল ও আগুন দেয়ার রাজনীতিতে বিশ্বাস করিনা। আমরা ভালোবাসা দিয়ে জনগণের মন জয় করতে চাই। অতীতেও জাতীয় পার্টি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকাকালীন ভালোবাসা ও উন্নয়ন দিয়ে জনগনকে উন্নত সেবা দেয়ার চেষ্টা করেছে।
তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে জাতীয় পার্টি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্থা ও পূর্ণাঙ্গ উপজেলা পদ্ধতি বাস্তবায়ন করবে।
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে আগামী ১৪ মে জাতীয় পার্টির ৮ম জাতীয় সম্মেলন সর্বাত্মকভাবে সফল করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান এবং সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ও নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার বনানীস্থ কার্যালয়ের মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সভায় জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি বলেন, জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা কিছু পাওয়ার লোভে রাজনীতি করেনা, ভালো রাজনীতি পাওয়ার জন্য করে। তিনি ত্যাগী নেতাদের সম্মানিত করার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, অতীতে পার্টির অনেক বিভ্রান্তির মধ্যে গেছে। এখন থেকে আর কোনো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব নাই। তিনিও ১৪ মে জাতীয় সম্মেলনকে সফল করার আহ্বান জানান।
জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি.এম. কাদের বলেন, জাতীয় সম্মেলনে প্রমাণ করবো জাতীয় পার্টিই বাংলাদেশের ভবিষ্যত।
মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি বলেন, জাতীয় সম্মেলনে জাতীয় পার্টির জন্য এক সুন্দর ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সূর্য উদয় হবে। তিনি সকলকে সম্মেলন সফল করার জন্য সর্বাত্মকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল কাশেম, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, গোলাম হাবিব দুলাল, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, গোলাম কিবরিয়া টিপু, আলহাজ্ব সাহিদুর রহমান ট্যাপা, অধ্যাপিকা মাসুদা এম. রশীদ চৌধুরী, ফখরুল ইমাম এমপি, নূর-ই- হাসনা লিলি চৌধূরী এমপি, এস.এম. আব্দুল মান্নান, মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা, সুনীল শুভ রায়, এস.এম. ফয়সল চিশতী, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন,এ্যাড, মহাসিন রশীদ, তাজুল ইসলাম চৌধুরী এমপি, সোলায়মান আলম শেঠ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা- আ.ন.ম. শাহজাহান, রিন্টু আনোয়ার, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, ভাইস চেয়ারম্যান- আব্দুর রাজ্জাক খান, মোঃ নুরুল আমিন শানু, আনোয়ার চৌধুরী জীবন, আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার মিয়া, এ্যাড. জিয়াউল হক মৃধা এমপি, নুরুল ইসলাম মিলন এমপি, শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এমপি, মাহবুবুর রহমান বাচ্চু, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব- হাজী আবু বকর, অধ্যাপক ইকবাল হোসেন রাজু, জহিরুল ইসলাম জহির, সেলিম উদ্দিন এমপি, আরিফুর রহমান খান, আলমগীর শিকদার লোটন, গোলাম মোহাম্মদ রাজু, দেওয়ান আলী, শফিকুল ইসলাম মধু, ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার, নুরুল ইসলাম নুরু, সাংগঠনিক সম্পাদক- মোতাহারুল ইসলাম, শফিউল্লাহ শফি, দিদারুল আলম দিদার, মনোয়ার আলম, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক, শেখ আলমগীর হোসেন, সরদার শাহজাহান, জহিরুল আলম রুবেল, আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী, সুলতান আহমেদ সেলিম, কাজী আশরাফ সিদ্দিকী, শাহী আজম, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য- বেলাল হোসেন, শামসুদ্দিন হীর, মনিরুল ইসলাম মিলন, কাজী মামুনুর রশীদ, নাজমা আখতার, আমির উদ্দিন আহমেদ ঢালু, শামীম আহমেদ রিজভী, ইসাহাক ভূঁইয়া, নুরুল ইসলাম ওমর এমপি, আবু সৈয়দ, শফিকুল ইসলাম শফিক, হুমায়ন খান, শামসুল হক শামসু, এম.এ. মুনিম চৌধুরী বাবু এমপি, জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, তরুন বসু, জাকির হোসেন মিলন, ফখরুল ইসলাম ভূঁইয়া লিটন, মোবারক হোসেন আজাদ, আনিসুর রহমান খোকন, ফকরুল আহসান শাহজাদা, এ্যাড. লাকী বেগম, আবু সাঈদ স্বপন, লিয়াকত হোসেন চাকলাদার, শাহজাহান মানছুর, নোমান মিয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য- আহাদ ইউ চৌধুরী শাহীন, খোরশেদ আলম খুশু, রেজাউল করিম, মশিউর রহমান খান, মহিলা পার্টির সাধারণ সম্পাদিকা অনন্যা হোসেইন মৌসুমী, আক্তারুজ্জামান খান, মনোয়ারা তাহের মানু, এনাম জয়নাল আবেদীন, শাহাদাত কবির, শওকত চৌধুরী এমপি, খান মো. ইসরাফিল খোকন, শাহজাহান কবির, এস.এম. সালাউদ্দিন আহমেদ, মো. রমজান ভূঁইয়া, মামুনুর রহিম সুমন, দেলোয়ার হোসেন খান মিলন, নিজাম উদ্দিন সরকার, ডা. সেলিমা খান, মো. গোলাম মোস্তফা, মাহমুদা রহমান মুন্নি, এম.এ. রাজ্জাক খান, নির্মল চন্দ্র দাশ, মাখন সরকার, আসাদুজ্জামান খান, আবু সাদেক সরদার বাদল, আব্দুস সাত্তার গালিব, লিটন মিয়াজী, সুমন আশরাফ প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক সুলতান মাহমুদ।