ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যই পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প : বিজ্ঞান মন্ত্রী

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ড. ইয়াফেস ওসমান বলেন, ‘দেশের মানুষের জীবন বদলানোর জন্য ইলেক্ট্রিসিটি প্রয়োজন। দেশের দ্রুত উন্নয়ন ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য আমরা যাতে কিছু রেখে যেতে পারি সেই চিন্তারই ফসল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প।’
 
শনিবার ঈশ্বরদীর রূপপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কারিগরি কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্য দানকালে তিনি একথা বলেন।
 
এর আগে সকাল এগারোটায় মন্ত্রী ড. ইয়াফেস ওসমান এর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদসহ ২২টি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, সচিব, অতিরিক্ত সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউকিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ঠ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
 
সভা শুরু হওয়ার আগে রাশিয়ান প্রতিষ্ঠান এটমষ্ট্রয় এক্সপোর্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট ম্যাক্সম ভি এলচেচেভ এবং রূপপুরে কর্মরত রাশিয়ানদের ডিরেক্টর পাভেল ডি ভা সব প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখান এবং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বর্ণনা দেন। এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, আন্তরিকভাবে সকলে এই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত এই প্রকল্প মনিটরিং করছেন। যেকারণে মখ্য সচিব সাত দিনে একবার এই প্রকল্প নিয়ে বসে আলোচনা করেন।
 
তিনি আরো জানান, ২০২৩ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করার কথা থাকলেও স্বাধীনতা অর্জনের রজতজয়ন্তী ২০২১ সালের মধ্যে কাজ শেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য রাশিয়ানদের অনুরোধ করা হয়েছিল। রাশিয়ান কর্তৃপ আশ্বস্থ করেছে ওই সময়ের মধ্যেই কা শেষ হবে।
 
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব সিরাজুল হক খান এর সঞ্চালনায় মূখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, আজকে আমরা দেখেছি নিউকিয়ার পাওয়ার প্লান্টের মূল রিএ্যাক্টর অর্থাৎ হার্ট যেখানে বসানো হবে। আজকে এই সভার মাধ্যমে সকলের সাথে হ্ার্ট টু হার্টের কানেকশন হয়ে গেল। আর কোথায়ও কোন সমস্যা রইল না। সমস্যা আগেও ছিলো না, আর ভবিষ্যতেও এই প্রকল্পের কাজে কোন সমস্যা থাকবে না বলে জানান তিনি।
 
তিনি আরো বলেন, ১৮ বছর মেয়াদকালে রাশিয়ানদের ঋণের টাকা পরিশোধ করতে কোন বেগ পেতে হবে না। সভায় উপস্থিত সচিব ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কাজের অগ্রগতি প্রত্য করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।