চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার চারটি গ্রামে ঘূর্ণিঝড়ে আঘাত হেনেছে। ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত ও শিলা-বৃষ্টিতে উপজেলার হাসাদহ, বৈদ্যনাথপুর, পুরন্দপুর ও বকুন্ডিয়া গ্রামের বসতবাড়ি, বৈদ্যুতিক লাইন, পাট ও বরবটিসহ উঠতি ফসলাদির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসময় ঘরের চালা ও দেয়াল ভেঙে গৃহবধূসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। শনিবার রাত আটটার দিেক এই ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে।
হাসাদাহের জসিম উদ্দিন জালাল, শফিকুল ইসলাম নান্নু ও বকুণ্ডিয়ার আজিমুদ্দিন বিশ্বাস জানান, রাএত ঘূর্ণিঝড় ও শিলা-বৃষ্টি আঘাত হানে। ঘূর্ণিঝড়ে বহু বসতবাড়ির চালা উড়ে যাওয়াসহ মাটির ঘরের দেয়াল ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ে। ঝড়ের তাণ্ডবে খেতের পাটের মাথা ও বরবটির মাচা ভেঙে মাটির সাথে মিশে গেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘরের চালা ভেঙে ও দেয়াল চাপা পড়ে হাসাদাহের ফিরোজ আলী, নূর ইসলাম গোপাল, আব্দুল মোমিন, মাধপপুরের ফজিলাতুন্নেছাসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।
উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মো. আ. লতিফ অমল জানান, ঘূর্ণিঝড়ে ফসলের এমন ক্ষয়ক্ষতি অনেক বছর দেখা যায়নি।
ইউএনও নুরুল হাফিজ জানান, ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ির মালিক ও কৃষকদের সরকারিভাবে সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।
মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জীবননগর উপজেলা সাবস্টেশনের জুনিয়র প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ লাইন মেরামত করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে দুইদিন সময় লাগবে।