ভেজাল পণ্য উৎপাদন: ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

 
বিষাক্ত রঙ ও অনুমোদনহীন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহারের অভিযোগে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এলাকার একটি সফট ড্রিংকসের কারাখানা এবং একটি ডিটারজেন্ট তৈরির কারখানাকে সাত লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে সোমবার দুপুরে এ অভিযান চালানো হয়।
 
সারওয়ার আলম বলেন, আদালত দেখতে পায়, কাপড়ের রঙ, গ্লুকোজ পাউডার, স্যাকারিন ও ঘন চিনি দিয়ে তৈরি করছে জ্যাংক নামের সফট ডিংকস। যা দেখতে ট্যাং এর মতো। ওই প্রতিষ্ঠানে কোনো রসায়নবিদ বা পুষ্টিবিদকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে কারখানার মালিক কামাল হোসেন স্বীকার করেন, আসলে কোনো প্রকার বিশেষজ্ঞ ছাড়াই সাধারণ শ্রমিক দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে সফট ড্রিংকস পাউডার। তাছাড়া প্রায় এক মাস আগের তৈরি করা পণ্যের বোতলের গায়ে উত্পাদনের তারিখ দেখানো হয়েছে।
 
এসব অভিযোগে ইভানা ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আদালত প্রায় ২ মন ইন্ডাস্ট্রিয়াল রঙ ধ্বংস করে। আদালত আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কারখানার পরিবেশকে উন্নত ও বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ দেন। অন্যথায় কারখানাটি সিলগালা করে দেয়া হবে বলে জানানো হয়।
 
তিনি আরো বলেন, একই এলাকার মীম এন্ড তামীম সোপ ফ্যাক্টরি বিএসটিআই’র অনুমতি না নিয়েই শিল্প কারখানার বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে কাপড় কাচার পাউডার তৈরি করে আসছিল। এ অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির মালিক হেলাল আহম্মেদকে দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়া হয়। অভিযানের সময় র্যাব-১০ এর সিনিয়র এএসপি সাজ্জাদ হোসেন ও বিএসটিআই’র ফিল্ড অফিসার শরিফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।