মুন্সীগঞ্জে রিমান্ড শেষে ফের কারাগারে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান

মুন্সীগঞ্জে নব-নির্বাচিত চেয়াম্যান গোলাম মোস্তফাকে রিমান্ড শেষে আবারো কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বিচারক জুডিশিয়ার ম্যাজিস্ট্রেট উমা রানী দাস জামিন নামঞ্জুর করে তাকে ফের কারাগারে পাঠায়।
 
এর আগে পৃথক আরেক মামালায় “অজ্ঞাতনামা” আসামীর তালিকায় তাকে শোন এরেস্ট করে এক দিনের পুলিশে রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ড শেষে আদালত সূত্র ও সংুশ্লষ্ট আইনজীবীরা জানান, নির্বাচন পূর্ব সহিংসতার গ্রেফতারকৃত মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান তিনি।
 
কিন্তু নির্বাচনপূর্ব সহিংসতার অজ্ঞাতনামা আসামির আরেকটি অস্ত্র মামলায় তাকে শোন এরেস্ট করা হয়। এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফেটে পড়ে সমর্থকরা।
 
এই অস্ত্র মামলায় পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে। সোমবার আদালতে এই নিয়ে দু’দফা শুনানি হয়। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উমা রানী দাস এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
 
এরপরই গোলাম মোস্তফার সমর্থকরা আদালাত পাড়ায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পৌর মেয়র ফসাল বিপ্লবের নেতৃত্বে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম মোস্তফার মুক্তির দাবিতে মিছিল বের করে। এসব ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছাড়াও আদালতের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়। 
 
গত ৭ মে নির্বাচনের সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে বিজয়ী হন তিনি। তৃনমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী করা হয়েছিল  বিএনপি থেকে সদ্য আওয়ামী লীগের যোগদানকারী গোলাম মোস্তফাকে। কিন্তু কেন্দ্রে থেকে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। পরে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তৃতীয় স্থান অধিকার করে। আর নির্বাচন নিয়ে এখানে আওয়ামী লীগ দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
 
পৌর মেয়র মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব গোলাম মোস্তফার সমর্থনে থেকে পুরো নির্বাচন পরিচালনায় অংশ নেন। অন্যদিকে তার বিরুদ্ধ অবস্থান নেন স্থানীয় সাংসদ মৃনাল কান্তি দাস। তিনি সমর্থন দেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুস সাত্তারকে।